Kunal Ghosh on Kakoli: ‘মামলা করে তো আমার বয়ান পাল্টানো যাবে না’, ‘বিশ্বাসঘাতক-গদ্দার’ বলবেনই, জানালেন কুণাল
Kunal Ghosh: কাকলী ঘোষ দস্তিদার বুধবার তাঁর সংসদীয় কেন্দ্র বারাসতে কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে FIR করেছেন। NCPI সাংসদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের পোস্টের মধ্য দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর পরিবার অপমান করছেন কুণাল। এরপর বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে সশরীরে হাজিরা দিতে বলে থানা। তখন কুণাল ঘোষ প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় জানান, তিনি হাজিরা দেবেন। তবে 'বিশ্বাসঘাতক-গদ্দারদের আক্রমণ করবেন।

কলকাতা: তিনি থামবেন না, বলবেই! সে কথা স্পষ্টত টিভি ৯ বাংলাকে জানিয়ে দিলেন। একবার নয়, সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গ যাঁরা ছেড়েছেন তাঁদের বারেবারে আক্রমণ করছেন বেলেঘাটার কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বিধায়কের আক্রমণের মুখে ঋতশিবিরের বিধায়ক থেকে সদ্য তৃণমূলত্যাগী NCPI-সাংসদরা। ইতিমধ্যেই সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এত সবের পরও কুণালের স্পষ্ট উত্তর, “আমি মামলা খেলেও বিশ্বাসঘাতক, গদ্দার বলব। না করলেও বলব। আর মামলা করে তো আমার বয়ান পাল্টানো যাবে না।”
কাকলী ঘোষ দস্তিদার বুধবার তাঁর সংসদীয় কেন্দ্র বারাসতে কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে FIR করেছেন। NCPI সাংসদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের পোস্টের মধ্য দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর পরিবার অপমান করছেন কুণাল। এরপর বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের হতেই বেলেঘাটার বিধায়ককে সশরীরে হাজিরা দিতে বলে থানা। তখন কুণাল ঘোষ প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় জানান, তিনি হাজিরা দেবেন। তবে ‘বিশ্বাসঘাতক-গদ্দারদের আক্রমণ করবেন’। কুণাল বলেন, “আমার দলের প্রতীকে, আমার দলের সাংসদ হিসাবে জিতে কেউ যদি অন্য দলে যেতে চান, তবে আমি তাঁকে বিশ্বাসঘাতক, গদ্দার বলেছি। তাই আমি মামলা খেলেও বিশ্বাসঘাতক, গদ্দার বলব। না করলেও বলব। আর মামলা করে তো আমার বয়ান পাল্টানো যাবে না।” তিনি তাঁর কাজ চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন টিভি ৯ বাংলাকে। পুলিশের কাছে হাজিরা দেবেন বলেও কুণাল বলেন, “আমি অবশ্যই যাব। যখনই এইসব আইনি ব্যাপার, তলব থাকে, তখন আমি পারলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। আমি কোনও অপরাধ করিনি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ডাকা হয়েছে আমাকে। পুলিশ নিজের কাজ করেছে। আমি আমার কাজ করব।”
এখানে উল্লেখ্য, থানায় অভিযোগ দায়ের করার পূর্বে কাকলী নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে নালিশ করে এসেছিলেন কুণাল ঘোষের নামে। তারপর তিনি থানায় FIR করেন। সে প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেছেন বেলেঘাটার বিধায়ক। বলেছেন, “আমি তো নির্দিষ্টভাবে জানি না কার অভিযোগ। অনুমান করতে পারি যে কেউ কেউ নবান্নে গিয়ে কীসব অভিযোগ করেছিলেন, তার ভিত্তিতে হয়তো মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে বলেছেন অ্যাকশন নিতে। এগুলি সবই আন-অফিসিয়ালি শোনা। অফিসিয়ালি জানি না।” ফলে, কাকলী-কুণালের ‘যুদ্ধ’ কতদূর পৌঁছয় এখন সেইটাই দেখার।
