TMC MLA Sovandeb Chattopadhyay: বিরোধী দলনেতা কি থাকবেন শোভনদেব? বিধানসভায় রেজুলেশন জমা তৃণমূলের
Sovandeb Chattopadhyay Opposition Leader Row: সম্প্রতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর নিয়ে রেজুলেশন কপি তৈরি করে তা বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, রেজুলেশনের কপি বিধানসভা কর্তৃপক্ষ চেয়েছিলেন তাই দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা : বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার (Opposition Leader in Assembk স্বীকৃতি নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Shovondeb Chatterjee) বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য রেজুলেশন চেয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। প্রথমে রেজুলেশনের (Resolution) বিরোধিতা করলেও অবশেষে সেই রেজুলেশন বিধানসভায় জমা দিল বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি বৈঠকের পরই রেজুলেশন কপি দেওয়া হয় বিধানসভায়। কিন্তু, তারপরেও যদি স্বীকৃতি না দেওয়া হয়, তাহলে অবস্থান বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি দিয়েছে দল।
বিরোধী দলনেতা নিয়ে জটিলতা…
ফল ঘোষণার পর বিধানসভার সচিবালয়ে চিঠি দিয়ে তৃণমূল জানিয়েছিল যে, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে দায়িত্ব সামলাবেন। কিন্তু, দিন কয়েক আগে বালিগঞ্জের বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে এখনও বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেয়নি বিধানসভা। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার বসার ঘরও তালাবন্ধ। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের সই করা রেজুলেশন চাইছেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। কিন্তু, সেরকম কোনও নিয়ম নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, চিঠি দেওয়ার পর রেগুলেশন দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এরপরই শোভনদেব আরটিআই করে স্পিকারের কাছে জানতে চেয়েছেন, এর আগে বিরোধী দলনেতা কীভাবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন?
বিধানসভা কর্তৃপক্ষ কী বলছে?
তবে, বিধানসভার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মানেনি তৃণমূল কংগ্রেস। কোনও রেজুলেশন কপি তারা পাঠায়নি, কতজন বিধায়কের সমর্থনে শোভনদেব বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন, তার কোনও উল্লেখ ছিল না। প্রয়োজনীয় নথি না পেলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যাবে না।
তৃণমূলের রেজুলেশন
সম্প্রতি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর নিয়ে রেজুলেশন কপি তৈরি করে তা বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, রেজুলেশনের কপি বিধানসভা কর্তৃপক্ষ চেয়েছিলেন তাই দেওয়া হয়েছে। তবে, গোটা ইস্যুতে এখন সরাসরি সংঘাতের পথে হাঁটতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনই অভিযোগ উঠে আসছে।
তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যদি বিধানসভা কর্তৃপক্ষ পুরনো সিদ্ধান্তে অনড় থাকে, যদি বিরোধী দলনেতার ঘর খোলা না হয়, তাহলে অবস্থান বিক্ষোভ করবেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন বিধায়ক। জানা গিয়েছে, আজ বেলা ১২ টা নাগাদ তৃণমূল পরিষদীয় দলের সদস্যরা বিধানসভায় উপস্থিত থাকবেন। এক ঘণ্টা তাঁরা অপেক্ষা করবেন। যদি ঘর না খোলা হয়, তবে বেলা ১ টা থেকে বিধানসভার অন্দরে অবস্থান বিক্ষোভে করবেন তৃণমূলের বিধায়করা।
