AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Humayun Kabir: বিজেপি আমায় ছাড়া সরকার গড়তে পারবে না: হুমায়ুন

Humayun Kabir: বারবারই তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, হুমায়ুন বিজেপি দ্বারা পরিচালিত। সে প্রেক্ষিতে বলতে গিয়েই হুমায়ুন বলেন, "আমি কার হয়ে খেলতে নেমেছি , ওসব সময় বলবে।" তবে মিম-এর সঙ্গে যে জোট গড়বেন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন হুমায়ুন।

Humayun Kabir: বিজেপি আমায় ছাড়া সরকার গড়তে পারবে না:  হুমায়ুন
হুমায়ুন কবীরImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Dec 09, 2025 | 1:17 PM
Share

কলকাতা: সরকার গঠন নয়, বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে চান সদ্য তৃণমূল থেকে সাসপেন্ডেড ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ১৩৫ টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা আগেই বলেছিলেন তিনি। তবে তাঁর টার্গেট ৯০ টি আসন! হুমায়ুনের এ সব ‘লক্ষ্য’ ‘বাবরি’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর থেকে একাধিকবার সামনে এসেছে। কিন্তু এবার আরও বড় কথা হুমায়ুনের। তিনি বললেন, “২০২৬ এ তৃণমূল বা বিজেপি কেউই একক ভাবে সরকার গড়তে পারবে না। যিনিই মুখ্যমন্ত্রী হোন না কেন হুমায়ুন কবীরের সাহায্য নিতে হবে । আমাকে না নিয়ে কেউ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না।”

বারবারই তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, হুমায়ুন বিজেপি দ্বারা পরিচালিত। সে প্রেক্ষিতে বলতে গিয়েই হুমায়ুন বলেন, “আমি কার হয়ে খেলতে নেমেছি , ওসব সময় বলবে।” তবে মিম-এর সঙ্গে যে জোট গড়বেন, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন হুমায়ুন।

সে প্রসঙ্গে বলতেই গিয়েই কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর প্রসঙ্গ আসে। কিছুটা বিরক্ত হন হুমায়ুন। তিনি বলেন, “কংগ্রেস সাইন বোর্ডে পরিণত হয়েছে । ছাব্বিশে ওদের চিহ্ন থাকবে না। মিম আমার সঙ্গে থাকলে যদি কংগ্রেস না থাকে, থাকবে না । মিমের সঙ্গেই আমি থাকব।” তাঁর কথায়, “আমি বিজেপি তে গেছিলাম তৃণমূলের অত্যাচারে । সেদিন কংগ্রেস আর অধীর আমাকে শেল্টার দিতে পারে নি । তাই গিয়েছিলাম।”

তৃণমূলের তরফ থেকে তাঁকে একাধিকবার বার্তা পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, “তৃণমূলের থেকে অনেকেই আমার ঘনিষ্ঠদের বার্তা পাঠিয়েছেন। কিন্তু তৃণমূলে ফেরার কোন প্রশ্নই নেই। তৃণমূল আমাকে যে হেনস্থা করেছে , এতটা করার প্রয়োজন ছিল না।”

হুমায়ুনের ‘বাবরি’স্থাপন ইতিমধ্যেই শাসকদলের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তারপর তাঁর নতুন দল লড়বে বিধানসভায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এর আঁচ ঠিক কতটা পৌঁছবে, তা এখনই আঁচ করা যাচ্ছে না।  তবে মুর্শিদাবাদের মাটিতে যে ভোট কাটাকুটির রাজনীতি শুরু হয়ে গিয়েছে, তাতে নিশ্চিত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। হুমায়ুন বলেন, “আমি তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছি। যে কেউ আমার সঙ্গে জোট করতে পারে। আমি কার ভোট ভাগ করব , কার ক্ষতি হবে জানি না । আমি আমার মত প্রার্থী দেব। তাতে কার কী হল. আমার কিছু যায় আসে না।”

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের অনেকটা আগেই বিজেপিতে গিয়েছিলেন হুমায়ুন। এক সময়ে তিনি নিজেই বলেছিলেন, ২০১৯ সালে বিজেপির জন্য জেলায় ১০ হাজারের বেশি সদস্য তৈরি করেছিলেন। রাজ্য বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন। কিন্তু আবারও বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে। ফের ঘাসফুলে প্রত্যাবর্তন হয় তাঁর। কিন্তু তারপরও বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়েনি। গত বছরই যখন হুমায়ুনের কাছে দিল্লি থেকে ‘পুস্তিকা’-প্রশংসাপত্র আসে, তখনই আবারও জল্পনা দানা বাঁধতে শুরু করে। এবার আবারও ‘বাবরি’ পর্বে নতুন করে এ জল্পনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ভিন রাজ্য থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন হুমায়ুন। তাতেও তিনি দাবি করেছেন, কেন্দ্র থেকেই নাকি তাঁকে নিরাপত্তা দিতে চেয়েছে। তবে তা তিনি স্বীকার করেননি। কারণ তৃণমূল যে অভিযোগ তুলছে, তাতে আর তিনি ইন্ধন দিতে চাইছেন না। তবে হুমায়ুন নিশ্চিত, “আমি ১৩৫ টা আসনে প্রার্থী দেব। ৮০ টা আসন জিতে বিরোধী আসনে বসব । এটাই আমার লক্ষ্য।”

Follow Us