Katwa: সন্ধ্যায় হঠাৎ শাহের দফতর এল ই-মেইল, টিনের চালের বাড়ির মালিক অরবিন্দর জীবন গেল বদলে
CAA: নাগরিকত্ব পেয়ে খুশির হওয়া দুই পরিবারে। খুশি এলাকায় বসবাস করা বাংলাদেশ থেকে আসা অন্যরাও।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলায় বসবাস করত দুই পরিবার। অভিযোগ,অত্যাচারের কারণে তারা দাস ভারতে চলে আসেন।পূর্বস্থলীর ফলেয়া গ্রামে দীর্ঘ ১৯-২০ বছর ধরে বসবাস করছেন। যদিও ইতিমধ্যে তাঁদের ভোটার, আধার কার্ড পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু SIR শুরু হতেই দুশ্চিন্তায় পরে সকলে।

কাটোয়া: CAA আবেদন করে মিলল ভারতীয় নাগরিকত্ব। দুই পরিবারের ৫ জন হাতে পেলেন ভারতীয় নাগরিকত্বের স্বীকৃতি। আবেদনের কয়েক মাসের মধ্যেই মিলেছে নাগরিকত্বর শংসাপত্র। এসআইআর, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় বাছাই পর্বে নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস দুই পরিবারে। গত বছরের অগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে পূর্বস্থলী উত্তরের কালেখাতলা ১ পঞ্চায়েতের ফলেয়া গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার বৃদ্ধা সরস্বতী মল্লিক ও তার দুই ছেলে দুলাল ও অরবিন্দ মল্লিক CAA তে গত বছরের অগাস্ট মাসে ভারতীয় নাগরিকত্বর আবেদন জানান। গত ৮ মার্চ গৃহমন্ত্রণালয় থেকে একটি ই-মেল পান। তাঁদের ৩ জনের নাগরিকত্ব শংসাপত্র প্রস্তুত বলে ই-মেলে জানানো হয়। নাগরিকত্বের হার্ড কপি ডাকের মারফত বাড়িতে পৌঁছে যাবে জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি এই পাড়ার আর একটি পরিবারও পেয়েছে ভারতীয় নাগরিকত্বর শংসাপত্র।বাবা কৃষ্ণকান্ত হালদার ও ছেলে কৃত্তিবাস হালদার দিন কয়েক আগেই ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন।গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে CAA তে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করেন অনলাইনে। দিন কয়েক আগেই ছেলে কৃত্তিবাস হালদারের ই-মেলে গৃহমন্ত্রণালয় থেকে নাগরিক অর্থে শংসাপত্র পাঠিয়ে ই-মেল করা হয়। দুই পরিবারই তাদের ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র অনলাইন থেকে বার করেছেন। যা দেখতে বাড়িতে ভির জমাচ্ছেন বাংলাদেশ থেকে আসা অন্যান্যরা।
নাগরিকত্ব পেয়ে খুশির হওয়া দুই পরিবারে। খুশি এলাকায় বসবাস করা বাংলাদেশ থেকে আসা অন্যরাও।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলায় বসবাস করত দুই পরিবার। অভিযোগ,অত্যাচারের কারণে তারা দাস ভারতে চলে আসেন।পূর্বস্থলীর ফলেয়া গ্রামে দীর্ঘ ১৯-২০ বছর ধরে বসবাস করছেন। যদিও ইতিমধ্যে তাঁদের ভোটার, আধার কার্ড পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু SIR শুরু হতেই দুশ্চিন্তায় পরে সকলে।
২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না কারোর। ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। এমন কি চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই দুই পরিবারের কারোরই। দুশ্চিন্তা থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণা মত CAA তে আবেদন করে সবুজ-সহ তাঁর পরিবার। মেলে ভারতীয় নাগরিকত্ব। নাগরিকত্বের কার্ড হাতে নিয়ে অরবিন্দ মল্লিক বললেন, “আমরা ২০০৬ সালে বাংলাদেশ থেকে চলে এসেছিলাম। এখানে বহু বছর হয়ে গেল। কিন্তু নাগরিকত্ব কার্ড করার জন্য অনেকে বারণ করছিল। তবুও CAA তে আবেদন করেছিলাম। সার্টিফিকেটটা পেয়ে গিয়েছি।”
এই প্রসঙ্গে এলাকার বিজেপি দলের বক্তব্য, শাসক দল মিথ্যা অপ্রপ্রচার করছে, ভয় দেখাচ্ছে। আবেদন করলে মিলবে ভারতীয় নাগরিকত্ব। তবে অন্য সুর এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস দলের বুথ সভাপতির, ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকার সার্টিফিকেট দিয়ে দিলে হয়রানি কমবে মানুষজনের বলে বক্তব্য তাঁর। বিজেপির পাঁচ নম্বর মণ্ডলের সহ সভাপতি বেচারাম দাস বলেন, “ওরা যে সাহস করে এগিয়েছে, এটাই অনেক। আমরা তো বলছিলাম, CAA তে আবেদন করলে নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই তো আশ্বস্ত করেছেন। ওঁরা গ্রামের বাকিদের কাছেও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”
যদিও তৃণমূল নেতা ভবেশ মণ্ডলের বক্তব্য, “আমাদের এখানে তো অনেকেই আবেদন করেছেন। এখনও পর্যন্ত একটা পরিবার পেয়েছে বলে শুনেছি। এখনও তাঁদের সঙ্গে কথা হয়নি। সবাই পেলে তো ভালোই হয়।”
