AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Vegetables price hike: সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে বেগুন-টমেটো থেকে লঙ্কা-শসা, আলু-পেঁয়াজে হাত দিয়েও ছ্যাঁকা খাচ্ছে মধ্যবিত্ত

Vegetables price hike: বাজারে আলুর দাম ঊর্ধ্বমুখী হলেও চাষিরা কিন্তু ক্ষতির মুখেই পড়ে রয়েছেন। তথ্য বলছে, এ বছর গোটা রাজ্যেই আলুর ফলন অনেক কম হয়েছে। অন্য বছর বিঘা পিছু গড়ে ৫০ কেজির ১০০ বস্তা আলু হয়ে থাকে। এবার তা বিঘা পিছু কমে দাঁড়িয়েছে ৭০ বস্তায়।

Vegetables price hike: সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে বেগুন-টমেটো থেকে লঙ্কা-শসা, আলু-পেঁয়াজে হাত দিয়েও ছ্যাঁকা খাচ্ছে মধ্যবিত্ত
অগ্নিমূল্য বাজার Image Credit: TV-9 Bangla
| Updated on: Jun 23, 2024 | 1:01 PM
Share

কলকাতা: দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে অবশেষে দক্ষিণবঙ্গে পা রেখেছে বর্ষা। তাতে গরেমর হাত থেকে সাময়িক নিস্তার মিললেও গরমের দাপট অব্য়াহত বাজারগুলিতে। রবির সকালে বাজারে গিয়ে হাতে ছ্যাঁকা খাচ্ছে মধ্যবিত্ত। শাকসব্জির দাম যা তাতে একেবারে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। অগ্নিমূল্য বাজারে ব্য়াগ হাতে শাক-সব্জি কিনতে গিয়ে দাম শুনে কপালে উঠে যাচ্ছে চোখ। সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে বেগুন, টমেটো থেকে কাঁচা লঙ্কা, শসা। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, সর্বত্র একই ছবি।

কলকাতার একাধিক বাজারে তো কাঁচা লঙ্কা দেড়শো টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ১০০ টাকা কেজি। পেপে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৩১ টাকা কেজি জ্যোতি আলু। চন্দ্রমুখী আলু ৩৬ টাকা। একই ছবি কিন্তু শিলিগুড়িতেও। সকাল থেকেই বাজারে গিয়ে মাথায় হাত ক্রেতাদের। এক ক্রেতা তো বলছেন, “দাম তো প্রচুর সব কিছুরই। কিন্তু আর করা যাবে। খেতে তো হবে।” এক গৃহবধূ তো বলছেন, “আলু, পেঁয়াজের তো রোজ দরকার। কিন্তু, কী করে যে ঘর সমলাচ্ছি আমরাই জানি। হেঁশেল সামলাতে নাকানি-চোবানি খেতে হচ্ছে।”

ব্যবসায়ীরা বলছেন, জোগান কম থাকাতেই এই অবস্থা। অনেকেই বলছেন, বিগত কিছুদিনে প্রবল গরমে ক্ষতি হয়েছে শাক-সব্জির। পাশাপাশি গরমের পর আচমকা বৃষ্টিতেও ফসলে ধরেছে পচন। আলু, পেঁয়াজের আমদানি কমে গিয়েছে। যদিও ক্রেতারা বলছেন, যা পরিস্থিতি তাতে সরকারের নজরদারির বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে টাস্ক ফোর্সের ভূমিকা নিয়েও। তাঁদের কেন দেখা মিলছে না সেই প্রশ্নও তুলছেন কেউ কেউ। 

এদিকে বাজারে আলুর দাম ঊর্ধ্বমুখী হলেও চাষিরা কিন্তু ক্ষতির মুখেই পড়ে রয়েছেন। তথ্য বলছে, এ বছর গোটা রাজ্যেই আলুর ফলন অনেক কম হয়েছে। অন্য বছর বিঘা পিছু গড়ে ৫০ কেজির ১০০ বস্তা আলু হয়ে থাকে। এবার তা বিঘা পিছু কমে দাঁড়িয়েছে ৭০ বস্তায়। তাতেই চাপে পড়েছেন কৃষকরা। লাভ তো দূর চাষের খরচও ঘরে তুলতে না পেরে মাথায় পড়েছে হাত। 

Follow Us