AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

West Bengal Animal Slaughter Control Act: বাংলায় পশু জবাইয়ের আসল নিয়মটা জেনে রাখুন

West Bengal Animal Slaughter Control Act Explained: পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১৯৫০ সালে একটি আইন আনা হয়। এই আইনে বলা হয়, নির্দিষ্ট প্রাণী জবাইয়ের ক্ষেত্রে আগে থেকে শংসাপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। পশুর দুধের জোগান বাড়াতে এবং মূলত কৃষিকাজে পশুর ব্যবহারে যাতে ঘাটতি না পড়ে, সেজন্যই এই আইন আনা হয়।

West Bengal Animal Slaughter Control Act: বাংলায় পশু জবাইয়ের আসল নিয়মটা জেনে রাখুন
কী বলা হয়েছে আইনে?
| Updated on: May 19, 2026 | 4:49 PM
Share

কলকাতা: বাংলায় ক্ষমতায় এসেই পশু জবাই নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিজেপি সরকার (West Bengal Government)। আর সেই বিজ্ঞপ্তি নিয়েই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে যা বলা হয়েছে, সেগুলি কি নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত? একদমই নয়। পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০ মেনে চলার জন্যই এই বিজ্ঞপ্তি। আবার বর্তমান সরকার জানিয়েছে, ২০১৮ সালের ৬ অগস্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় এবং তা নিয়ে ২০২২ সালের ৮ জুন সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করেই এই বিজ্ঞপ্তি। ফলে রাজ্য সরকার বাড়তি কোনও পদক্ষেপ করেনি। শুধু আইন ও হাইকোর্টের নির্দেশই পালন করার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। দেখে নেওয়া যাক পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাব নিয়ন্ত্রণ আইনে কী বলা হয়েছে। হাইকোর্টই বা কী রায় দিয়েছিল।

পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০’তে কী বলা হয়েছে?

পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১৯৫০ সালের এপ্রিলে একটি আইন আনা হয়। এই আইনে বলা হয়, নির্দিষ্ট প্রাণী জবাইয়ের ক্ষেত্রে আগে থেকে শংসাপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। পশুর দুধের জোগান বাড়াতে এবং মূলত কৃষিকাজে পশুর ব্যবহারে যাতে ঘাটতি না পড়ে, সেজন্যই এই আইন আনা হয়।

কোন কোন ক্ষেত্রে পশুকে জবাইয়ের অনুমতি দেওয়া হবে, তাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। বলা হয়, পশুর বয়স ১৪ বছরের বেশি এবং প্রজনন কিংবা কাজ করতে অপারগ হতে হবে। দ্বিতীয়ত বয়স, আঘাত, বিকৃতি বা কোনও রোগের কারণে স্থায়ীভাবে কাজ কিংবা প্রজননের জন্য অনুপযুক্ত হয়ে যায়।

যে সব পশুর ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর হবে বলে জানানো হয়, সেই তালিকায় রয়েছে ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর,পুরুষ ও স্ত্রী মহিষ, মহিষের বাছুর এবং নপুংসক মহিষ। এই ধরনের পশু জবাই করতে হলে আগে প্রশাসনিক ও পশুচিকিৎসা সংক্রান্ত অনুমোদন প্রয়োজন।

২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ-

১৯৫০ সালে পশ্চিমবঙ্গে পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন তৈরি হয়। আর ২০১৮ সালের ৬ অগস্ট পাবলিক নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। যেখানে বলা হয়, বৈধ শংসাপত্র ছাড়া পশু জবাই নিষিদ্ধ করা নিয়ে পাবলিক নোটিস জারি করা হোক। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছিল।

এবার গত ১৩ মে নতুন সরকার ৮ দফার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেখানে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, ৭৬ বছরের পুরনো পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন যাতে মানুষ মেনে চলেন, তা নিশ্চিত করতেই এই বিজ্ঞপ্তি। আরও বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৬ অগস্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় এবং তা নিয়ে চার বছর আগের সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করেই এই বিজ্ঞপ্তি।

Follow Us