West Bengal Assembly: বিধানসভার ওয়েবসাইটে প্রথমে কৃষ্ণ-কথা, পরে বদলে গিয়ে হল রামকৃষ্ণের বাণী
West Bengal Assembly Website: বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছে, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

কলকাতা: এবার বিধানসভার ওয়েবসাইটে দেখা গেল ধর্মের বাণী। প্রথমে কৃষ্ণের ছবির পাশেই রাগের ক্ষতিকর দিক নিয়ে দীর্ঘ বাণী। রাগের অপকারিতাও ব্যাখ্যাও ছিল তাতে। কিছুক্ষণ পর বদলে যায় ছবি। শ্রীকৃষ্ণের ছবির বদলে দেখা যায় রামকৃষ্ণের বাণী।
বিধানসভার ওয়েবসাইটটা খুলতেই হোম পেজে দেখা যাচ্ছিল, বিধানসভার ছবির নীচে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডান দিকে স্পিকার রথীন্দ্র বোসের ছবি। আর তার ঠিক একেবারে ডান দিকে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। আর তার সঙ্গে কৃষ্ণের কিছু উক্তি। যেখানে মূলত রাগের অপকারিতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
লেখা ছিল, “রাগ মানুষের সমস্ত দুর্বলতাগুলোর মধ্যে একটি। যা তাকে সর্বদা ভালো সত্ত্বা থেকে দূরে নিয়ে যায়। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি সম্পর্কে তাকে আরও বিভ্রান্ত করে তোলে।” সঙ্গে আরও কিছু লেখা রয়েছে।

পরে আবার শ্রীকৃষ্ণের বদলে রামকৃষ্ণের বাণীও ফুটে ওঠে ওয়েবসাইটে।

বিধানসভার ওয়েবসাইটে শ্রীকৃষ্ণের ছবি-বাণী থাকায় কটাক্ষ করেন কালীঘাটপন্থী বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “আমিও কৃষ্ণ ভক্ত। কিন্তু সরকারি জায়গা, বিধানসভা, সেখানে নির্দিষ্ট ধর্মের আরাধ্যদের এইভাবে রাখা যায় কি না, সেটাই ব্যাপার। শ্রীকৃষ্ণ তো আমাদের হৃদয়ে আছে। তবে এখানে ওয়েবসাইটে কেন শ্রীকৃষ্ণ, সেটা স্পিকার সাহেবই বলতে পারবেন।”
যদিও শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, “শ্রীকৃষ্ণ ভগবান। তার বলে যাওয়া সমস্ত কথা তো আমরা বলি, মানি। সেগুলো পাথেয় করার চেষ্টা করি। রাগ তো সত্যিই ক্ষতিকারক।” তবে এখনও পর্যন্ত স্পিকারের তরফে এর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
