SIR in Bengal: পিছিয়ে যেতে পারে তালিকা প্রকাশের দিন! SIR শুনানির জন্যও বাড়তি সময় চাইলেন সিইও

West Bengal SIR: শুক্রবারই উত্তর প্রদেশে আপত্তি জানানো-সহ সমগ্র এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বার্থে বাড়তি এক মাস বরাদ্দ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জল্পনা তৈরি হয়েছিল বাংলা নিয়েও। শনিবার তাতেই সিলমোহর দিয়ে আর্জি-চিঠি পাঠিয়ে দিল বাংলার সিইও দফতর। তবে বকেয়া কাজ যে পাহাড়-সমান তা নয়।

SIR in Bengal: পিছিয়ে যেতে পারে তালিকা প্রকাশের দিন! SIR শুনানির জন্যও বাড়তি সময় চাইলেন সিইও
বাংলার সিইও মনোজ আগরওয়ালImage Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Feb 07, 2026 | 8:26 PM

কলকাতা: শনিবার ছিল শুনানির শেষ দিন। কিন্তু বাংলার ভোটারদের কথা মাথায় রেখে এবং বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থার কথা মাথায় রেখে সেই সময়সীমায় বদল ঘটানোর কথা ভাবছে কমিশন। এদিন চিঠি পাঠিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বাংলার এসআইআর শুনানির জন্য বাড়তি সময় চেয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।

শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “সাত-আট জন নির্বাচনী আধিকারিকের থেকে জানতে পারলাম এখনও বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। সেই কারণেই কিছুক্ষণ আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে আরও সাতদিনের সময় চাওয়া হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানির শেষ দিন ছিল। এবার তা ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।”

শুক্রবারই উত্তর প্রদেশে আপত্তি জানানো-সহ সমগ্র এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বার্থে বাড়তি এক মাস বরাদ্দ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জল্পনা তৈরি হয়েছিল বাংলা নিয়েও। শনিবার তাতেই সিলমোহর দিয়ে আর্জি-চিঠি পাঠিয়ে দিল বাংলার সিইও দফতর। তবে বকেয়া কাজ যে পাহাড়-সমান তা নয়। এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, “বিভিন্ন জেলা, বিভিন্ন স্টেজে রয়েছে। বেশিরভাগ জায়গাতেই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ৩-৪ শতাংশ কাজ এখনও বাকি রয়েছে।”

আগেই রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলা — উত্তর কলকাতা, মালদহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে শুনানির জন্য দিন বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন ডিইও-রা। সূত্রের খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মেটিয়াবুরুজ, মগরাহাট, পশ্চিম, কসবা, ক্যানিং পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মহেশতলা এবং ভাঙড়ের শুনানি এখনও শেষ হয়নি। এদিন সিইও জানালেন, ৯৫ শতাংশ জায়গায় শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। কাজ বাকি রয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় একটি বিধানসভা (নোয়াপাড়া), দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭ টি এলাকা, কলকাতা উত্তরের একটি এলাকা, কলকাতা দক্ষিণের একটি (বন্দর), হাওড়ায় ১ টি, কার্শিয়ং একটি।

আবার শুনানি যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে তথ্য আপলোড হয়নি। সব মিলিয়ে আপলোড বাকি আছে প্রায় ২৫ শতাংশের বেশি। ডিসপোজাল হয়েছে মাত্র ৩০-৩৫ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে সিইও দফতরে সময় বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছেন ডিইও-রা। সেই আর্জিকেই নয়াদিল্লিতে পাঠিয়েছেন সিইও। তাতে এবার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ মিললে শুনানির শেষ তারিখ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন আবার ছিল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন। সেই তারিখ আরও পিছিয়ে যাবে।