
কলকাতা: সকাল ১১টাতেই ভোটদানের হার ৪০ শতাংশের উপরে ছিল। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার প্রায় ৬২ শতাংশ ছাপিয়ে গিয়েছে। প্রথম দফার ভোট হচ্ছে ১৬ জেলার মধ্যে ১৫২টি কেন্দ্রে। বিজেপি বলছে সিংহভাগ আসনে তাঁরাই জিততে চলেছে। যদিও বিজেপি দাবি কার্যত হেলায় উড়িয়ে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু কী বলছে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট? কে কোন আসনে কোথায় এগিয়ে ছিল?
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির দিকে যদি নজর দেওয়া যায় তাহলে দেখা যাচ্ছে ২০২১ সালের নির্বাচনে কোচবিহার জেলার ৯টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ২টিতে এবং বিজেপি জয়ী হয়েছিল ৭টি আসনে। আলিপুরদুয়ারের ৫টি আসনের সবকটিতেই বিজেপি জয়লাভ করেছে, সেখানে তৃণমূল কোনো আসন পায়নি। জলপাইগুড়িতে ৭টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৩টি এবং বিজেপি ৪টি আসন পেয়েছিল। কালিম্পংয়ে তৃণমূল-বিজেপি কেউই খাতা খুলতে পারেনি। দার্জিলিং জেলার ৫টি আসনের সবকটিতেই জয়ী হয়েছিল বিজেপি। উত্তর দিনাজপুরে ৯টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৭টি এবং বিজেপি ২টি আসন পেয়েছিল। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুরের ৬টি আসন তৃণমূল ও বিজেপি-র মধ্যে সমানভাবে ৩টি করে ভাগ হয়ে গেছে।
মালদহ ও মুর্শিদাবাদের দিকে যদি নজর যায় তাহলে দেখা যাচ্ছে মালদহ জেলার ১২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ৮টিতে এবং বিজেপি ৪টিতে জয়ী হয়েছিল। মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূলের ফল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ছিল, সেখানে ২২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ২০টিতেই জয়লাভ করেছে এবং বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ২টি আসন।
অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ১৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ৯টি এবং বিজেপি পেয়েছিল ৭টি আসন। পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি আসনের মধ্যে ১৩টি তৃণমূলের দখলে থাকলেও বিজেপি মাত্র ২টি আসন পেয়েছিল। ঝাড়গ্রামের ৪টি আসনের সবকটিতেই তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল। পুরুলিয়া জেলার ৯টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৩টি এবং বিজেপি ৬টি আসন পেয়েছিল। বাঁকুড়া জেলার ১২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৮টি আসনে জয়ী হয়েছিল এবং তৃণমূল পেয়েছিল ৪টি আসন।
পশ্চিম বর্ধমান জেলার ৯টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৬টি এবং বিজেপি ৩টি আসন পেয়েছিল। সবশেষে, বীরভূম জেলার ১১টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১০টিতে জয়লাভ করেছে এবং বিজেপি জয়ী হয়েছিল মাত্র ১টি আসনে।