AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Alcohol Shop Rules: মদ বিক্রিতে বাংলার জন্য বড় নিয়ম আনল রাজ্য সরকার

Alchol News: EOI জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম বেঁধে দিয়েছে বেভারেজেস কর্পোরেশন। আবেদন করতে হবে শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের টেন্ডার পোর্টালে। সমস্ত নথি ডিজিটাল স্বাক্ষর করে নির্দিষ্ট চারটি ফোল্ডারে আপলোড করতে হবে। আগের EOI-র EMD-ও নির্দিষ্ট নথিপত্র-সহ ফের ব্যবহার করা যাবে, তবে তা একই শ্রেণির পণ্য—বিদেশি মদ, বিয়ার অথবা IML—এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

Alcohol Shop Rules: মদ বিক্রিতে বাংলার জন্য বড় নিয়ম আনল রাজ্য সরকার
Image Credit: PTI
| Updated on: Sep 12, 2026 | 9:34 PM
Share

সায়ন্ত ভট্টাচার্য ও সোমা দাসের রিপোর্ট

কলকাতা: পুজোর মরসুমের আগে মদের বাজারে কড়া নিয়মের বার্তা রাজ্যের। বিদেশি মদ, বিয়ার এবং ইন্ডিয়া মেড লিকার সরবরাহে নতুন করে ‘ছাঁকনি’ বসাচ্ছে ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বেভারেজেস কর্পোরেশন’ (WBSBCL)। ৩ সেপ্টেম্বরের ‘প্রি-বিড’ বৈঠক হয়। সেখানেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, নতুন করে লাইসেন্স নিলেও কোনও ব্র্যান্ড ১ অক্টোবর থেকে তাঁকে ফের নথিভুক্ত করতে হবে। দাম না বদলালেও রেহাই নেই। তৈরি করতে হবে নতুন ‘কস্ট কার্ড’ও। পুরনো রেজিস্ট্রেশনের ভিত্তিতে নতুন মরসুমে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে না। নতুন EOI-তে নির্বাচিত সমস্ত পণ্যের জন্যই ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে নতুন রেজিস্ট্রেশন।

  • নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর ন্যূনতম ‘এম ডিস্টিলারি প্রাইস’ বা EDP-এর ভিত্তিতে প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে বেছে নেওয়া হবে। সেই EDP-র ভিত্তিতেই রাজ্য সরকারের কর কাঠামো নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে, আবগারি কর্তাদের একাংশের দাবি, পুজোর আগে এই পরিবর্তনের ফলে মদের দামে বড়সড় বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে দামি মদের ক্ষেত্রে সামান্য হেরফের হতে পারে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
  • তবে পুরনো এমআরপি-র স্টক নিয়ে কিছুটা ছাড় দিয়েছে কর্পোরেশন। বর্তমান লেবেল রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ যত দিন থাকবে, ততদিন সেই পুরনো স্টক বিক্রি করা যাবে। পুজোর সময়ে বাজারে মদের জোগানে যাতে টান না পড়ে, সে জন্য প্রস্তুতকারকদের মসৃণ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • মদের দামের ক্ষেত্রেও কড়া শর্ত। ‘ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট কস্ট’ বা IMC কোনও ভাবেই EDP-র ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। ঘোষিত দাম বা DP-কে রাজ্যের আবগারি আইন মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি ৩০শে জুন ২০২৬-এর হিসাবে গোটা দেশের সর্বনিম্ন EDP/DP-র সঙ্গে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়াও বাধ্যতামূলক।
  • ব্র্যান্ড মালিকদের জন্যও কড়া বার্তা। একাধিক ব্র্যান্ড মালিক বা সংস্থা মিলে একটি যৌথ বিড করতে পারবে না। প্রত্যেক ব্র্যান্ড মালিক বা সংস্থাকে পৃথক ভাবে অংশ নিতে হবে। যৌথ ভাবে অংশ নিলে আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • শুধু তা-ই নয়, তথ্য গোপন করা, ভুল তথ্য দেওয়া বা কোনও তথ্য বিকৃত করার অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমস্ত পণ্যই অযোগ্য ঘোষণার মুখে পড়তে পারে। তাই আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • EOI জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম বেঁধে দিয়েছে বেভারেজেস কর্পোরেশন। আবেদন করতে হবে শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের টেন্ডার পোর্টালে। সমস্ত নথি ডিজিটাল স্বাক্ষর করে নির্দিষ্ট চারটি ফোল্ডারে আপলোড করতে হবে। আগের EOI-র EMD-ও নির্দিষ্ট নথিপত্র-সহ ফের ব্যবহার করা যাবে, তবে তা একই শ্রেণির পণ্য—বিদেশি মদ, বিয়ার অথবা IML—এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে ট্রেডমার্ক শংসাপত্র, ব্র্যান্ড মালিকের অনুমতিপত্র, EMD, বৈধ আবগারি লাইসেন্স, সংস্থার রেজিস্ট্রেশন নথি, GST, PAN এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে FSSAI লাইসেন্স-সহ একাধিক নথি।
  • পশ্চিমবঙ্গের বাজারে একেবারে নতুন কোনও ব্র্যান্ড আনা হলে তার উৎপাদন বা বোতলজাতকরণ কেন্দ্রের নাম ও সম্পূর্ণ ঠিকানা জানাতে হবে। আবার রাজ্যের বাইরে তৈরী নতুন ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের কোনও একটি রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে গত এক বছরে অন্তত ১০ হাজার কেস বিক্রির প্রমাণ দিতে হবে।
Follow Us