কলকাতা: গত ২ মে এ রাজ্যে ১০৮টি পুরসভার ভোটের ফল প্রকাশিত হয়। শতাধিক পুরসভার মধ্যে একটিতেও নিজেদের শক্তি দেখাতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিজেপি। উল্লেখযোগ্যভাবে রাজ্যের এত বড় ভোটের ফল প্রকাশের দিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গিয়েছিল ‘জল জীবন মিশন’ নিয়ে টুইট করতে! ভোটের ফল নিয়ে একটি কথাও বলেননি তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাকি পুরসভা ছেড়ে দিলেও কাঁথির মতো পুরসভাতে তৃণমূলের জয় বিজেপির জন্য নিঃসন্দেহে ধাক্কা। শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি যেখানে, কাঁথির সেই ১৫ নম্বর ওয়ার্ডেও হেরে গিয়েছে বিজেপি। ওয়াকিবহাল মহলের পর্যবেক্ষণ, এই ফল অস্বস্তি বাড়িয়েছে অধিকারীদের। তবে বৃহস্পতিবার যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়ে স্বস্তি দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে। সূত্রের খবর, উত্তর প্রদেশের ফলকে গুপ্তিমন্ত্র করেই এ রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের চাঙ্গা করতে চেষ্টা করবে বিজেপি। একইসঙ্গে তৃণমূলকে বিঁধতেও ভরসা সেই ভিন রাজ্যের ফলেই। এদিন শুভেন্দু বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ২৫-এর বেশি আসন নিয়ে সংসদে যাবেন নরেন্দ্র মোদী। ‘২৪-এ দেশে ৪০০ পার করবে বিজেপি।
উত্তর প্রদেশে বিজেপির জয়জয়কার। গেরুয়া আবিরে মেতেছে বাংলার বিজেপি সমর্থকরা। রাজ্য বিজেপির সদর দফতরের সামনে রাস্তায় উড়ছে শুধুই গেরুয়া আবির। হাতে দলীয় পতাকা, মিষ্টির বাক্স। দারুণ খুশি সকলে। বাংলার উপনির্বাচন কিংবা পুরনিগম-পুরসভার ভোটে ফল বিজেপি অনুকূলে যায়নি। ফলে উদযাপনের সুযোগও মেলেনি। বহুদিন পর সে সুযোগ পেয়েছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। খুশি বাংলার প্রথম সারির বিজেপি নেতারাও। উচ্ছ্বসিত স্বয়ং নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
এখন বিধানসভার অধিবেশন চলছে। বৃহস্পতিবার সেখানে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন এটা সেমিফাইনাল। তাহলে সেমিফাইনাল হয়ে গেল, হেরেও গেলেন। অর্থাৎ ২৪শে মোদী, মোদী। ২৪ শে ৪০০ পার। সেমিফাইনালে হেরে গেলে তো আর ফাইনালে থাকার কথা নয়। আউট! কেন্দ্রীয় বাহিনী যেদিন দাঁড়িয়ে থাকবে, ইলেকশন কমিশন অব ইন্ডিয়া যেদিন ভোট করাবে আমি লিখে দিচ্ছি পশ্চিমবঙ্গ থেকে কম করে মোদীজী ২৫ প্লাস আসন নিয়ে সংসদে যাবেন।”
একই সঙ্গে এদিন শুভেন্দু অধিকারী একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন। সেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বারাণসীর প্রচার-ভিডিয়ো। শুভেন্দু লেখেন, ‘মমতাজী আপনি আপনার চেয়ার শক্ত করে বেঁধে নিন। ইউপিতে যে তুফান উঠেছে, খুব তাড়াতাড়ি তা বাংলাতেও পৌঁছে যাবে। আপনি উত্তর প্রদেশ না গেলেই ভাল করতেন। তা হলে হয়ত সমাজবাদী পার্টি আরও কিছু ভোট পেতে পারত। আপনি সাইকেল পানচার করে দিলেন।’
এদিন বিধানসভাতেই বিজেপি বিধায়কদের কপালে গেরুয়া আবিরের টিকা পরিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। লাড্ডুও বিতরণও করেন। একইসঙ্গে নিজেও মিষ্টিমুখ করেন এদিন। বিজেপি সূত্রে খবর, গত তিনমাসে দলীয় কোন্দল থেকে একের পর এক ভোটে হার, কিছুটা থতমত খেয়ে গিয়েছিলেন দলের কর্মীরা। ভিন রাজ্যে হলেও এই জয় অক্সিজেন দিয়েছে বিজেপিকে। সূত্রের খবর, উত্তর প্রদেশে বিজেপির বিপুল জয়ের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে কথাও হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। যদি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “এই জয়ে কোনও অক্সিজেন জোগাবে না। এটা অন্য রাজ্যের ফল। আমাদের রাজ্যের সঙ্গে অন্য রাজ্যের রাজনীতি আলাদা।”
কলকাতা: গত ২ মে এ রাজ্যে ১০৮টি পুরসভার ভোটের ফল প্রকাশিত হয়। শতাধিক পুরসভার মধ্যে একটিতেও নিজেদের শক্তি দেখাতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিজেপি। উল্লেখযোগ্যভাবে রাজ্যের এত বড় ভোটের ফল প্রকাশের দিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গিয়েছিল ‘জল জীবন মিশন’ নিয়ে টুইট করতে! ভোটের ফল নিয়ে একটি কথাও বলেননি তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাকি পুরসভা ছেড়ে দিলেও কাঁথির মতো পুরসভাতে তৃণমূলের জয় বিজেপির জন্য নিঃসন্দেহে ধাক্কা। শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি যেখানে, কাঁথির সেই ১৫ নম্বর ওয়ার্ডেও হেরে গিয়েছে বিজেপি। ওয়াকিবহাল মহলের পর্যবেক্ষণ, এই ফল অস্বস্তি বাড়িয়েছে অধিকারীদের। তবে বৃহস্পতিবার যোগীরাজ্যে গেরুয়া ঝড়ে স্বস্তি দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে। সূত্রের খবর, উত্তর প্রদেশের ফলকে গুপ্তিমন্ত্র করেই এ রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের চাঙ্গা করতে চেষ্টা করবে বিজেপি। একইসঙ্গে তৃণমূলকে বিঁধতেও ভরসা সেই ভিন রাজ্যের ফলেই। এদিন শুভেন্দু বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ২৫-এর বেশি আসন নিয়ে সংসদে যাবেন নরেন্দ্র মোদী। ‘২৪-এ দেশে ৪০০ পার করবে বিজেপি।
উত্তর প্রদেশে বিজেপির জয়জয়কার। গেরুয়া আবিরে মেতেছে বাংলার বিজেপি সমর্থকরা। রাজ্য বিজেপির সদর দফতরের সামনে রাস্তায় উড়ছে শুধুই গেরুয়া আবির। হাতে দলীয় পতাকা, মিষ্টির বাক্স। দারুণ খুশি সকলে। বাংলার উপনির্বাচন কিংবা পুরনিগম-পুরসভার ভোটে ফল বিজেপি অনুকূলে যায়নি। ফলে উদযাপনের সুযোগও মেলেনি। বহুদিন পর সে সুযোগ পেয়েছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। খুশি বাংলার প্রথম সারির বিজেপি নেতারাও। উচ্ছ্বসিত স্বয়ং নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
এখন বিধানসভার অধিবেশন চলছে। বৃহস্পতিবার সেখানে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন এটা সেমিফাইনাল। তাহলে সেমিফাইনাল হয়ে গেল, হেরেও গেলেন। অর্থাৎ ২৪শে মোদী, মোদী। ২৪ শে ৪০০ পার। সেমিফাইনালে হেরে গেলে তো আর ফাইনালে থাকার কথা নয়। আউট! কেন্দ্রীয় বাহিনী যেদিন দাঁড়িয়ে থাকবে, ইলেকশন কমিশন অব ইন্ডিয়া যেদিন ভোট করাবে আমি লিখে দিচ্ছি পশ্চিমবঙ্গ থেকে কম করে মোদীজী ২৫ প্লাস আসন নিয়ে সংসদে যাবেন।”
একই সঙ্গে এদিন শুভেন্দু অধিকারী একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন। সেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বারাণসীর প্রচার-ভিডিয়ো। শুভেন্দু লেখেন, ‘মমতাজী আপনি আপনার চেয়ার শক্ত করে বেঁধে নিন। ইউপিতে যে তুফান উঠেছে, খুব তাড়াতাড়ি তা বাংলাতেও পৌঁছে যাবে। আপনি উত্তর প্রদেশ না গেলেই ভাল করতেন। তা হলে হয়ত সমাজবাদী পার্টি আরও কিছু ভোট পেতে পারত। আপনি সাইকেল পানচার করে দিলেন।’
এদিন বিধানসভাতেই বিজেপি বিধায়কদের কপালে গেরুয়া আবিরের টিকা পরিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। লাড্ডুও বিতরণও করেন। একইসঙ্গে নিজেও মিষ্টিমুখ করেন এদিন। বিজেপি সূত্রে খবর, গত তিনমাসে দলীয় কোন্দল থেকে একের পর এক ভোটে হার, কিছুটা থতমত খেয়ে গিয়েছিলেন দলের কর্মীরা। ভিন রাজ্যে হলেও এই জয় অক্সিজেন দিয়েছে বিজেপিকে। সূত্রের খবর, উত্তর প্রদেশে বিজেপির বিপুল জয়ের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে কথাও হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। যদি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “এই জয়ে কোনও অক্সিজেন জোগাবে না। এটা অন্য রাজ্যের ফল। আমাদের রাজ্যের সঙ্গে অন্য রাজ্যের রাজনীতি আলাদা।”