
কলকাতা: সামনেই বাংলায় ভোট। বারবার রাজ্য থেকে ঘুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। সকলের একটাই কথা, এবার শুধু সময়ের অপেক্ষা, বাংলায় বিজেপির সরকার হবেই। এবার বাজেট আবহে কী বাংলার জন্য বড় কোনও চমক থাকছে? প্রশ্ন ঘুরছে। ঘোষণা হতে পারে নতুন কোনও প্রকল্পের? শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, বাংলার সঙ্গেই ভোট রয়েছে আরও ৪ রাজ্য়ে। সেই রাজ্যগুলির কথা মাথায় রেখেও কী হতে পারে বড় কোনও ঘোষণা?
মধ্যবিত্তের প্রত্যাশা যে চড়ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যাদবপুরের এক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী বলছেন, আমরা তো সিনিয়র সিটিজেন। আগে ট্রেনে একটা ফেসিলিটি ছিল, ডিসকাউন্ট ছিল। সেটা ফিরে আসুক। যাতায়াতের জন্য সিটিং রিজার্ভেশন রয়েছে, কিন্তু ডিসকাউন্টের বিষয়টা দেখতে হবে। মেডিকেল ফেসিলিটির বিষয়গুলিও দেখতে হবে। খরচ যাতে ট্যাক্স ফ্রি হয় সেটাও দেখতে হবে।
বাঁকুড়ার খ্রিস্টান কলেজ লাগোয়া এলাকায় পৌঁছে গিয়েছিল টিভি৯ বাংলা। প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সকলেই মুখেই বাজেট চর্চা। এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা বলছেন, “সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমুক এটাই চাই। পাশ থেকে আরও একজন বললেন, বহু জিনিসেই এখন আর হাত দেওয়া যায় না। সেগুলির দাম নাগালের মধ্যে আসুক। পেট্রল-ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত থাকুক। গ্যাসের দামও বাড়ালে চলবে না। স্বল্প সঞ্চে সুদের হারটা যেন আর কমানো না হয়।”
মাঠে প্রাতঃভ্রভনের মধ্যেই আর একজন বললেন, “আমাদের তো প্রথম প্রত্যাশাই কর্মসংস্থান। আমাদের বয়স হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমাদের চারপাশে বেকার যুবকের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তাই চাকরির বড্ড দরকার।” অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এবারের বাজেটে কর্মসংস্থান, কৃষি, MSME ক্ষেত্রের উপর সবথেকে বেশি জোর দিতে পারেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। EV, AI এর উপরেও আলাদা করে জোর দেওয়া হতে পারে।