AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ডেস্কটপ থেকে ব্যাকআপ নেওয়ার কাজ সবে শুরু হয়েছে…, হঠাৎ মুখোমুখি, ভরদুপুরে ঠিক কী ঘটল I-PAC অফিসের অন্দরে

I-PAC Pratik Jain: তল্লাশির গুরুত্ব আঁচ করতে না পেরেই কি খালি হাতে ফিরতে হল? পরিকল্পনার ত্রুটির জন্যই কি হাতছাড়া হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য? উঠছে প্রশ্ন। ইডি অফিসারদের একাংশ মানছেন, ডিজিটাল ফরেনসিক টিম আরও আগে পৌঁছে দ্রুত ব্যাকআপ নেওয়া শুরু করলে কিছু তথ্য অন্তত হাতে আসত।

ডেস্কটপ থেকে ব্যাকআপ নেওয়ার কাজ সবে শুরু হয়েছে..., হঠাৎ মুখোমুখি, ভরদুপুরে ঠিক কী ঘটল I-PAC অফিসের অন্দরে
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 09, 2026 | 1:41 PM
Share

কলকাতা: বৃহস্পতিবার ভোর থেকে তল্লাশি শুরু করেছিল ইডি। দুপুর ১২টার কিছু পর হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে আইপ্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি, পরে আইপ্যাকের দফতর। বাইরে বেরিয়ে আসেন ফাইল হাতে। সেক্টর ফাইভের অফিস থেকে গাড়িতে তোলেন গুচ্ছ গুচ্ছ ফাইল, হার্ডডিস্ক। ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে তরজা তুঙ্গে। মামলা গড়িয়েছে হাইকোর্টেও। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী যখন ইডি অফিসারদের মুখোমুখি হলেন, তখন ঠিক কী ঘটল?

সূত্রের খবর, শতাধিক ডেস্কটপের মধ্যে থেকে সবেমাত্র একটি কম্পিউটার চিহ্নিত করে সাইবার ফরেনসিক এক্সপার্ট হ্যাশ ভ্যালু (যা সময়সাপেক্ষ বিষয়) তৈরি করেন। তারপর সবেমাত্র একটি ডেস্কটপ থেকে ব্যাকআপ নেওয়ার কাজ শুরু করেন তাঁরা। আর ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের টিম পৌঁছয় সেখানে। মাঝপথেই ব্যাকআপ নেওয়া বন্ধ করতে হয় বলে অভিযোগ ইডি-র। শুধু তাই নয়, তল্লাশি চালিয়ে যে সব ফাইল বাছা হয়েছিল, সব ফাইল ও নথি নিয়ে যায় সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ।

আইপ্যাক দফতরের ভিতরে যেখানে তল্লাশি চলছিল, একদম সেইখানেই পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজি রাজীব কুমার। মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছে গেলেও তিনি ইডি অফিসারদের সঙ্গে বিনম্রতা দেখিয়েছেন বলেই দাবি অফিসারদের। তবে ডিজি-র ভূমিকা ঠিক তেমন ছিল না বলেই সূত্রের খবর।

প্রতীক জৈনের বাড়িতেও একই অবস্থা হয়। সবেমাত্র শুরু হয়েছিল ব্যাক আপ ও নথি বাছাই পর্ব। সেখানেও হাজির হয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরেই পন্ড হয়ে তল্লাশির কাজ। ইডি সূত্রে খবর, IPAC-এর ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়ি ও তাঁর দফতরে তল্লাশি চালিয়ে সম্পূর্ণ খালি হাতেই ফিরেছে ইডি।

উল্লেখ্য, সাধারণত কোনও ফাইলের বিষয়বস্তু থেকে অ্যালগোরিদম দিয়ে এই হ্যাশ ভ্যালু তৈরি করেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। প্রমাণে কোনও পরিবর্তন করা হলেই ভ্যালু বদলে যায়। তাই যে কোনও তদন্তে হ্যাশ ভ্যালু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

রাজ্যের শাসকদলের পরামর্শদাতা সংস্থার দফতরে তল্লাশির গুরুত্ব আঁচ করতে না পেরেই কি খালি হাতে ফিরতে হল? পরিকল্পনার ত্রুটির জন্যই কি হাতছাড়া হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য? উঠছে প্রশ্ন। ইডি অফিসারদের একাংশ মানছেন, ডিজিটাল ফরেনসিক টিম আরও আগে পৌঁছে দ্রুত ব্যাকআপ নেওয়া শুরু করলে কিছু তথ্য অন্তত হাতে আসত।

বৃহস্পতিবার ঠিক কী কী হয়েছে, সে ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রকে রিপোর্ট দিয়েছে ইডি, স্বরাষ্ট্রে মন্ত্রকে রিপোর্ট দিয়েছে সিআরপিএফ। অন্যদিকে, ইডি-র সদর দফতরে এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই একটি ইনসিডেন্স রিপোর্ট জমা করা হয়েছে।