NCPI MPs: শেষমেস ‘তৃণমূলে’ই মিশে যাবে কাকলি-শতাব্দীরা? কী পরিকল্পনা বিজেপির
NCPI-BJP Equation: ২০ জন সাংসদ মিশে গিয়েছিলেন এনসিপিআই-এর সঙ্গে। জল্পনা তৈরি হয়, তাঁরা এনডিএ-র সমর্থক হয়ে থাকবেন নাকি বিজেপিতে যোগ দেবেন? সে ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ। আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠানদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়।

কলকাতা: অঙ্কটা যতটা সহজ ভাবা হয়েছিল, ততটা সহজ কি হচ্ছে না কাকলি-সুদীপদের জন্য? এনডিএ বৈঠকে প্রথম সারিতে বসার জায়গা মিললেও এনসিপিআই-এর ভবিষ্যৎ ঠিক কী হতে চলেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। লোকসভার স্পিকারের স্বীকৃতি মেলেনি এখনও। সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রতীক-ফয়সালার উপর নির্ভর করছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ভবিষ্যৎ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব অন্তত সেই বার্তাই দিয়েছেন।
সুদীপদের কী বলেছেন ভূপেন্দ্র যাদব?
মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী ও ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের দু’দফা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এনসিপিআই-এর স্বীকৃতি নিয়ে কথা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, স্বীকৃতি কবে মিলবে? সুদীপের দাবি, ভূপেন্দ্র যাদব বলেছেন, তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত সমস্যা মিটলেই বিষয়টা সহজ হয়ে যাবে। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি ঋতব্রত-শিবিরের হাতে জোড়াফুলের অধিকার গেলে, ওই তৃণমূলেই মিশে যেতে পারে এনসিপিআই?
এই প্রসঙ্গে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এনসিপিআই বলে আদৌ কোনও পার্টি আছে? মমতার পিছন দিক থেকে ছুরি মেরে যারা চলে গিয়েছে, তারা এবার বুঝুক কত ধানে কত চাল।”
কোথায় ঝুলে এনসিপিআই-এর ভবিষ্যৎ?
২০ জন সাংসদ মিশে গিয়েছিলেন এনসিপিআই-এর সঙ্গে। জল্পনা তৈরি হয়, তাঁরা এনডিএ-র সমর্থক হয়ে থাকবেন নাকি বিজেপিতে যোগ দেবেন? সে ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ। আবু তাহের, খলিলুর রহমান, ইউসুফ পাঠানদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকী এনডিএ-কে সমর্থন করার ক্ষেত্রেও তাঁদের বাধ্যবাধকতা আছে। সে ক্ষেত্রে তিনজন বাদ পড়লে সংখ্যাটা ১৭-তে নেমে আসতে পারে। ফলে, দুই-তৃতীয়াংশ হবে না, ফলে দলত্যাগ-বিরোধী আইনের ফাঁসে পড়ে যেতে পারেন তাঁরা। সে ক্ষেত্রে ঋত-শিবিরই কি কাকলিদের একমাত্র পথ? সেই প্রশ্নই সামনে আসছে।
