TMC Leader Madan Mitra: অরূপ-কেষ্টর পর মদন, ঠেলায় পড়লেই কেন ‘ভাল তৃণমূলে’? প্রশ্ন উঠতেই ঋতব্রত বললেন…
Madan Mitra in TMC: ইতিমধ্যেই পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার তলব করা হয়েছে মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে। আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে তাঁদের। তা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই বুধের বারবেলায় শোনা গেল ‘মিত্র’ বদলাচ্ছেন মদন।

কলকাতা: ভাই স্বরূপের ঠাঁই হয়েছে জেলে, দাদা অরূপের জেলযাত্রা নিয়েও জল্পনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছিল। মেসিকাণ্ডে আশার আলোও দেখতে শুরু করেছিলেন শতদ্রু দত্ত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা গিয়েছে সেই ঋতব্রত শিবিরে। তারপর শুধুই দলের মধ্যে দলবদল। ক’দিন আগের কেষ্ট থেকে আজকের মদন, এককালের মমতার সর্বাধিক বিশ্বস্ত নেতারাও এক এক করে ছাড়ছেন হাত। সকলের নিশানাতেই সেই অভিষেক। মুখে অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভের কথা বললেও নেপথ্যে কী শুধুই অভিষেক বিরোধিতা? কী বলছেন ঋতব্রতরা?
দুইয়ে দুইয়ে চার?
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার তলব করা হয়েছে মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে। আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে তাঁদের। তা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই বুধের বারবেলায় শোনা গেল মিত্র বদলাচ্ছেন মদন। আর তাতেই দুইয়ে দুইয়ে চার করতে শুরু করেছেন কালীঘাট তৃণমূলের অনেকেই।
তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে মমতার ছায়াসঙ্গী ছিলেন মদন। মদনকে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকও করেছিলেন মমতা। কালীঘাট তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যও ছিলেন। কিন্তু সেই কালীঘাট তৃণমূলেরই সব পদ ছেড়ে একেবারে ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন কামারহাটির বিধায়ক। ঋতব্রত যদিও বলছেন, “এটা কালেকটিভের যে লড়াই সেটাকে শক্তিশালী করছেন। ইনডিভিজুয়াল কাল্টের বিরুদ্ধে কালেকটিভের লড়াই শক্তিশালী করার জন্য তাঁরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমরা তাকে স্বাগত জানাচ্ছি।”
অন্যদিকে মামলার গেরোয় রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলও। ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল-সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ইটভাটার মালিক। শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল নামে ওই ইটভাটার মালিকের অভিযোগ, ২০২১ সালে ভোটের ফল ঘোষণার পর ১০০টি ট্রাক্টর নিয়ে হামলা চালানো হয়। বোমা ও বন্দুকের ভয় দেখিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ ইট লুট করা হয়।
তবে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি। রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা তাপস রায় তৃণমূলের তুলোধনা করে বলছেন, “তৃণমূলের মধ্যে একটা মুষলপর্ব চলছে। সেটা দেখতে পাচ্ছি। তবে তৃণমূল নামক দলটা না থাকাই উচিত। সমাজের, বাংলার কেউ কল্যাণ চাইলে তৃণমূলের থাকা উচিত নয়। যত শীঘ্র উঠে যায় ততই মঙ্গল।”
