Kolkata Crime: অশান্তির পরই এলোপাথারি ‘মার’, লুটিয়ে পড়লেন স্ত্রী…পুলিশের জালে স্বামী
Wife Allegedly Killed in Keshtopur: পুলিশ সূত্রে খবর, পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি বিশ্বজিত দাস। বাড়ি মুর্শিদাবাদে। তবে, দেড় বছর ধরে স্ত্রী রুমি দাস ও ছেলেকে নিয়ে কেষ্টপুর মণ্ডলপাড়ায় ভাড়া থাকতেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। তবে, আজ বিবাদ চরমে পৌঁছলে বিশ্বজিৎ দাস তাঁর স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি মারধর করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ।

কলকাতা: স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে (Wife Allegedly Killed in Kolkata)। কেষ্টপুর মণ্ডলপাড়ার ঘটনা। মৃতের নাম রুমি দাস। পুলিশ সূত্রে খবর, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। আজও বিবাদ চলাকালীন স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে স্বামীর বিরুদ্ধে। আর তাতেই স্ত্রীর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত স্বামী বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মারধরেই মৃত্যু স্ত্রীর?
পুলিশ সূত্রে খবর, পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি বিশ্বজিত দাস। বাড়ি মুর্শিদাবাদে। তবে, দেড় বছর ধরে স্ত্রী রুমি দাস ও ছেলেকে নিয়ে কেষ্টপুর মণ্ডলপাড়ায় ভাড়া থাকতেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। তবে, আজ বিবাদ চরমে পৌঁছলে বিশ্বজিৎ দাস তাঁর স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি মারধর করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। তারপরই মারধরের জেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন স্ত্রী। ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।
এরপর স্ত্রীর মৃতদেহের পাশে বসেই তাঁর নাম ধরে চিৎকার করে ডাকতে শুরু করেন বিশ্বজিৎ। তাঁর চিৎকার শুনেই ছুটে আসেন এলাকার মানুষজন। এরপর স্থানীয়রাই পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে রুমি দাসের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।
চোখে-মুখে কালসিটের দাগ
পুলিশ সূত্রে খবর, রুমি দাসের দেহে, চোখে মুখে একাধিক কালসিটে দাগ রয়েছে। তাতেই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান মারধরের কারণেই মৃত্যু হয়েছে। তবে রুমি দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে বাগুইআটি থানায় খুনের অভিযোগ করেছেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্বজিতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
