
কলকাতা: এদিনই রয়েছে সিঙ্গুরে সভা। সভা শেষেই দিল্লি যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? রাজনৈতিক মহলে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এসআইআর থেকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সহ সাম্প্রতিক ইস্যুগুলিকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরতেই কী দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো? আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে। এদিকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বক্তৃতার মধ্যে দিয়ে আজ থেকে শুরু হতে চলেছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। আগামী ৩০ জানুয়ারি সংসদে ইকোনমিক সার্ভে বা আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বাজেট অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদদের কৌশল কী হবে? দিশা দেখাতে পারেন মমতা।
এর আগে নেতাজি জয়ন্তীতে দিল্লি চলোর ডাক দিয়েছিলেন মমতা। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যাচ্ছেন মানে সর্বভারতীয় রাজনীতির সকলকে নজর রাখতে হবে। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির গণতন্ত্র হত্যাকারী নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের ভরকেন্দ্র।
তবে পাল্টা খোঁচা দিতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলছেন, “রাজ্যেই আর ওনার কথা শোনার মতো কেউ নেই। এসআইআর বিরোধিতা করে তিনি রাস্তায় নেমেছিলেন। কিন্তু ৫৯ লক্ষ মানুষের যাদের নামে বাদ গিয়েছিল তাদের ক’জন রাস্তায় নেমে নির্বাচন কমিশনের বিরোধিতা করেছেন? ফলে এখানে ব্যর্থ হয়ে দিল্লিতে গিয়ে ফাঁকা মাঠে বসে কী করবেন বলা যাচ্ছে না।” সূত্রের দাবি, সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ঘনিষ্ঠ মহলে জানান, এসআইআর ইস্যুতে যা চলছে তা বিষয়টি নিয়ে এবার দিল্লিতে যাবেন। এরপর মঙ্গলবার সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদবের বৈঠক অন্য মাত্রা জুড়েছে জাতীয় রাজনীতির আঙিনায়। কারণ, বাংলার মতো উত্তর প্রদেশেও চলছে এসআইআর। সেখানে ইতিমধ্য়েই বাদ পড়েছে প্রায় ২ কোটি ৯০ লক্ষ নাম।