পাকা কলা বা শুকনো ভাত নয়, গলায় মাছের কাঁটা ফুটলে সহজে বের করার অন্য ৩ ঘরোয়া টোটকা জেনে নিন
গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে যে অস্বস্তি ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে অনেকেই প্যানিক বা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে, বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু উপাদানের সাহায্যেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। জেনে নিন গলায় বিঁধে থাকা কাঁটা সহজে বের করার ৩ টি অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা।

‘মাছে-ভাতে বাঙালি’র পাতে এক টুকরো মাছ না থাকলে যেন খাওয়াটাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কিন্তু ইলিশ, রুই বা পাবদা— মাছের স্বাদ যতই খোলতাই হোক না কেন, খাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত গলায় কাঁটা ফোটেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া বিরল। গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে যে অস্বস্তি ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে অনেকেই প্যানিক বা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে, বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু উপাদানের সাহায্যেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। জেনে নিন গলায় বিঁধে থাকা কাঁটা সহজে বের করার ৩ টি অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা।
গলায় কাঁটা বিঁধলে এক গ্লাস কোল্ড ড্রিঙ্কস বা কোকাকোলা বেশ ম্যাজিকের মতো কাজ করতে পারে। কোল্ড ড্রিঙ্কসে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস গলার নরম কাঁটাটিকে গলিয়ে বা নরম করে দিতে সাহায্য করে। ফলে কাঁটাটি সহজেই গলা থেকে নেমে যায়।
লেবুর রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড কাঁটা নরম করতে অত্যন্ত কার্যকরী। গলায় কাঁটা ফুটলে একটি পাতিলেবুর রসের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে জল ছাড়া অল্প অল্প করে খেতে থাকুন। লেবুর রসের অম্লতা কাঁটার ধারালো ভাব কমিয়ে দেয় এবং সেটিকে নরম করে গলিয়ে দেয়।
যদি বাড়িতে অলিভ অয়েল থাকে, তবে এক চামচ তেল খেয়ে নিতে পারেন। তেল গলাকে পিচ্ছিল করে তোলে, যার ফলে আটকে থাকা কাঁটা পিছলে পেটে চলে যায়। অলিভ অয়েল না থাকলে, এক গ্লাস জলে দু-চামচ ভিনিগার মিশিয়ে খেলে লেবুর রসের মতোই সমান উপকার পাওয়া যায়।
সাধারণ এবং ছোটখাটো কাঁটা এই ঘরোয়া উপায়গুলিতে সহজেই নেমে যায়। তবে যদি দীর্ঘক্ষণ ধরে তীব্র যন্ত্রণা হয়, থুতুর সঙ্গে রক্ত বেরোয় বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয়, তবে আর দেরি না করে অবিলম্বে একজন ইএনটি (ENT) বা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
