Madan Mitra in Assembly: স্পিকার বলা শুরু করতেই ৩০ সেকেন্ড শাসক-বেঞ্চে মদন! বিধানসভায় হলটা কী?
Madan Mitra Treasury Benches: পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার সে সময়ে নির্দেশ দেন, ঘরের দরজা বন্ধ করে দিতে। আর সব বিধায়কদের নিজ নিজ আসনে বসার নির্দেশ দেন। এদিকে, মদন তখন শাসকদের বসার জায়গায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাপস রায় উঠে আসেন। তিনি দৃশ্যত মদন মিত্রের হাত ধরে টেনে দিব্যেন্দু অধিকারীর পিছনের আসনে বসিয়ে দেন।

কলকাতা: বিধানসভায় তখন তুমুল হট্টগোল। চলছে গুন্ডা দমন আইনের ভোটাভুটি। বিধায়কদের অনেকেই নিজ নিজ আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে এসেছেন। সে সময়ে হলুদ পাঞ্জাবিতে মদন মিত্র বিধানসভার ক্যামেরার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। দেখা যায়, মদন মিত্র নিজের জায়গা থেকে বেরিয়ে গিয়ে শাসকদলের আসনের দিকে চলে যান হাঁটতে হাঁটতে। দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। এদিকে, ভোটাভুটির সময়ে বিধানসভার ভিতরের হট্টগোল বাড়তে থাকে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার সে সময়ে নির্দেশ দেন, ঘরের দরজা বন্ধ করে দিতে। আর সব বিধায়কদের নিজ নিজ আসনে বসার নির্দেশ দেন। এদিকে, মদন তখন শাসকদের বসার জায়গায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাপস রায় উঠে আসেন। তিনি দৃশ্যত মদন মিত্রের হাত ধরে টেনে দিব্যেন্দু অধিকারীর পিছনের আসনে বসিয়ে দেন। দিব্যেন্দুও দৃশ্যত মদন মিত্রকে টেনে ধরে ওখানেই বসান।
কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খেতে দেখা যায় মদনকেও। তিনি আর কিছু বলে ওঠার সুযোগ পাননি। তিনিও চুপচাপ বসে যান। মেরেকেটে ৩০ সেকেন্ড! মদন মিত্র উঠে আসেন নিজের চেয়ারে বসার জন্য। বসার আগে দিব্যেন্দুকে আবার বলেও আসেন। মদন গিয়ে তারপর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পিছনের আসনে বসেন। গোটা দৃশ্য দেখে হাসেন শোভনদেব, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়রাও।
