Anti-Aging: বলিরেখা প্রতিরোধের ১০ টোটকা, নিয়ম করে মানলে চামড়া টানটান থাকবে ৩০-এর পরও
Home Remedies for Skin Care: চোখে-মুখে চিন্তার ছাপ, চোখের নীচে কালশিটে—এগুলোই জানান দেয় বার্ধক্যের। তাছাড়া বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বলিরেখা, ঝুলে পড়া চামড়া, দাগছোপও বার্ধক্যের লক্ষণ। কিন্তু বয়সের আগে জীবনে বার্ধক্য হানা দিক, এটা কেউই চায় না। বয়সের সঙ্গে কীভাবে ত্বকের যৌবন ধরে রাখবেন, রইল ১০টি টিপস।

মোটামুটির ৩০-এ পা দেওয়ার পরই কপালে ভাঁজ লক্ষ্য করা যায় না। আবার কেউ-কেউ ৩০-এর আগেই বুড়িয়ে যান। চোখে-মুখে চিন্তার ছাপ, চোখের নীচে কালশিটে—এগুলোই জানান দেয় বার্ধক্যের। তাছাড়া বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বলিরেখা, ঝুলে পড়া চামড়া, দাগছোপও বার্ধক্যের লক্ষণ। কিন্তু বয়সের আগে জীবনে বার্ধক্য হানা দিক, এটা কেউই চায় না। বয়সের সঙ্গে কীভাবে ত্বকের যৌবন ধরে রাখবেন, রইল ১০টি টিপস।
১) মধু ও লেবুর রস: লেবুর রসে ভিটামিন সি রয়েছে, যার ব্লিচিং এফেক্ট রয়েছে। এটি দাগছোপ ও ফ্রিকেলস দূর করতে সাহায্য করে। মধুর মধ্যে থাকা ময়েশ্চারাইজিং উপাদান ত্বকে মসৃণ ও নরম করে তোলে। এই দুই উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে রোজ ব্যবহার করুন।
২) গ্লিসারিন ও গোলাপ জল: গ্লিসারিন দুর্দান্ত ময়েশ্চারাইজ। আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর গোলাপ জল। এই দুই উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে মাখুন। এতে ত্বক টানটান থাকবে। পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল থাকবে।
৩) পাকা পেঁপে: ভিটামিন এ-তে ভরপুর পাকা পেঁপে। এই পুষ্টি চোখ, ত্বক ও চুলের জন্য দুর্দান্ত কাজ করে। এছাড়া পেঁপেতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পাপাইন এনজাইম রয়েছে, যা মৃত কোষ পরিষ্কার করে দেয়। এছাড়া মুখে পাকা পেঁপে মাখলে ত্বক টানটান থাকে, চামড়া ঝুলে পড়ে না।
৪) অ্যান্টি-এজিং সিরাম: ১ চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ৫ চামচ গোলাপ জল, ২টো ভিটামিন সি ট্যাবলেয় এবং ২ চামচ ভিটামিন ই অয়েল মিশিয়ে অ্যান্টি-এজিং সিরাম বানিয়ে নিন। এটি দু’বেলা মুখে মাখতে পারেন।
৫) ডিম: ডিমের মধ্যে প্রোটিন রয়েছে, যা ত্বককে স্বাস্থ্যকর ও সতেজ রাখে। লেবুর রসের সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এটি ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে। এতে ত্বককে উজ্জ্বল রাখে এবং স্কিন টোন উন্নত করে।
৬) গ্রিন টি ও লেবুর রস: গ্রিন টি বানিয়ে নিন। এতে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি টোনার হিসেবে ব্যবহার করুন। এটি দাগছোপ প্রতিরোধ করে এবং ত্বকের ময়েশ্চারকে ধরে রাখে। এটি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করে।
৭) চালের জল: চাল ধোয়া জল হোক বা রান্না করা ভাতের জল, এই দুই জিনিসই ত্বকের জন্য অপরিহার্য। এটি ত্বকের লাগালে স্কিন টোন উন্নত করে। এটি ত্বকের বার্ধক্যকে প্রতিরোধ করে।
৮) আলুর রস: ত্বকের পড়া ট্যান তুলতে আলুর রস মাখুন। এটি ডার্ক সার্কেল ও সূক্ষ্মরেখা দূর করতেও সহায়ক। পাশাপাশি আলুর রস ব্যবহার করলে ত্বকে কুলিং এফেক্ট পাবেন। এতে ত্বক সতেজ দেখাবে।
৯) নারকেলের দুধ: ভিটামিন ও মিনারেলে পরিপূর্ণ নারকেলের দুধ। মুখের নারকেলের দুধ ব্যবহার করলে ত্বক নরম ও কোমল থাকবে। পাশাপাশি ত্বক সতেজ থাকবে।
১০) শসা ও দই: শসা ডার্ক সার্কেল ও চোখের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ত্বককে কুলিং এফেক্ট এনে দেয় শসা। ত্বককে হাইড্রেট রাখে এই উপাদান। অন্যদিকে টক দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে এক্সফোলিয়েট করে এবং মৃত কোষ তুলে দেয়।
