AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কোডিং ছাড়া এবার নিজেই বানিয়ে নিন নিজের প্রয়োজনীয় অ্যাপ, কীভাবে?

নাথিংয়ের এই নতুন ফিচারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্লেগ্রাউন্ড’ এবং এর মূল কারিগর হল ‘এসেনশিয়াল অ্যাপস বিল্ডার’।কিভাবে কাজ করবে প্লেগ্রাউন্ড? ধরুন, আপনি চান আপনার অ্যাপটি আপনার লোকেশন ট্র্যাক করে নির্দিষ্ট কাজের রিমাইন্ডার দেবে, কিংবা স্রেফ একটা ক্লিকেই প্রিয় কাউকে ফোন চলে যাবে। আপনাকে শুধু এই টুলে গিয়ে সাধারণ ইংরেজিতে লিখে দিতে হবে আপনার অ্যাপটি কী কাজ করবে। ব্যস! সিস্টেম নিজেই আপনার জন্য সেই অ্যাপটি তৈরি করে দেবে।

কোডিং ছাড়া এবার নিজেই বানিয়ে নিন নিজের প্রয়োজনীয় অ্যাপ, কীভাবে?
| Updated on: Mar 08, 2026 | 7:06 PM
Share

স্মার্টফোন মানেই প্লে-স্টোর বা অ্যাপ-স্টোর থেকে একগাদা অ্যাপ ডাউনলোড করা। কিন্তু আপনার ঠিক যেমনটা প্রয়োজন, তেমন অ্যাপ যদি খুঁজে না পান? তখন ইচ্ছে হলেও তো আর নিজে অ্যাপ বানিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়, কারণ তার জন্য দরকার জটিল কোডিং আর প্রোগ্রামিংয়ের জ্ঞান। তবে অনেকেই ভাবেন যদি এমন হত যে নিজেই নিজের প্রয়োজনীয় অ্যাপ বানানো যেত। কার্ল পে-র সংস্থা ‘নাথিং’ এবার সেই চেনা সমীকরণটাই একেবারে বদলে দিয়েছে। কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি বা কোডিং ছাড়াই, স্রেফ সাধারণ ভাষায় লিখে আপনি নিজেই বানিয়ে নিতে পারবেন নিজের পছন্দের আস্ত একটা অ্যাপ!

আপনার হুকুমেই তৈরি হবে অ্যাপ

নাথিংয়ের এই নতুন ফিচারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্লেগ্রাউন্ড’ এবং এর মূল কারিগর হল ‘এসেনশিয়াল অ্যাপস বিল্ডার’।কিভাবে কাজ করবে প্লেগ্রাউন্ড? ধরুন, আপনি চান আপনার অ্যাপটি আপনার লোকেশন ট্র্যাক করে নির্দিষ্ট কাজের রিমাইন্ডার দেবে, কিংবা স্রেফ একটা ক্লিকেই প্রিয় কাউকে ফোন চলে যাবে। আপনাকে শুধু এই টুলে গিয়ে সাধারণ ইংরেজিতে লিখে দিতে হবে আপনার অ্যাপটি কী কাজ করবে। ব্যস! সিস্টেম নিজেই আপনার জন্য সেই অ্যাপটি তৈরি করে দেবে। এরপর সেই অ্যাপটি সরাসরি আপনার ফোনের হোম স্ক্রিনে সাধারণ অ্যাপ বা উইজেটের মতো জায়গা করে নেবে। শুধু তাই নয়, আপনি চাইলে অন্যদের বানানো ছোট ছোট কাস্টম অ্যাপগুলোও নিজের ফোনে ইনস্টল করে পরখ করে দেখতে পারেন।

আপাতত কারা হতে পারছেন ‘অ্যাপ ডেভেলপার’?

বর্তমানে এই চমৎকার ফিচারটি বিটা পর্যায়ে রয়েছে। নাথিং জানিয়েছে, আপাতত শুধুমাত্র নাথিং ফোন ৩ (Nothing Phone 3) ব্যবহারকারীরাই এই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার ভাগীদার হতে পারছেন। সংস্থার দাবি, একাধিক কাস্টম অ্যাপ একসঙ্গে সাবলীলভাবে চালানোর জন্য যে পরিমাণ প্রসেসিং পাওয়ার দরকার, তা ফোন ৩-এই সবচেয়ে ভালো পাওয়া সম্ভব। তবে খুব শীঘ্রই নাথিং ও সিএমএফ (CMF)-এর অন্যান্য মডেলেও এই আপডেট পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।

কী কী করা যাবে আপনার তৈরি অ্যাপে?

এখনও পর্যন্ত এই প্ল্যাটফর্মে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা শুনলে চোখ কপালে উঠবে। লোকেশন ও ক্যালেন্ডার: আপনার নির্দিষ্ট জায়গার ওপর ভিত্তি করে রিমাইন্ডার বা মিটিংয়ের কাউন্টডাউন টাইমার তৈরি করা যাবে। ডিজাইন নিজের হাতে: নিজের পছন্দের ছবি (JPEG, PNG, GIF) দিয়ে অ্যাপ সাজাতে পারবেন। ২x২ বা ৪x২ সাইজের উইজেট হিসেবে এগুলো সাজিয়ে রাখা যাবে ফোনে। ভবিষ্যতের আপডেট: এরপর থেকে আপনার তৈরি অ্যাপগুলো ফোনের ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, ব্লুটুথ এমনকি সেন্সর ডেটাও ব্যবহার করতে পারবে। অর্থাৎ, তখন চাইলে আপনি নিজের বানানো ভয়েস কমান্ড টুলও ব্যবহার করতে পারবেন।

নাথিং আসলে চাইছে অ্যাপ স্টোরের ওপর থেকে মানুষের একচেটিয়া নির্ভরতা কমিয়ে আনতে। ভারী ভারী অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডাউনলোড না করে ব্যবহারকারী যেন নিজের ছোট ছোট প্রয়োজনের জন্য নিজেই ‘ডেভেলপার’ হয়ে ওঠেন, সেটাই লক্ষ্য। চলতি বছরের শেষের দিকে এই ফিচারটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা ভাবছে নাথিং। এই অভিনব প্রযুক্তি কত তাড়াতাড়ি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছবে? সেই উত্তর সময় বলবে।