AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Durga Puja Special: পোলাও রাঁধতে গিয়ে দলা পাকিয়ে যাচ্ছে? রেস্তোরাঁর মতো ঝরঝরে বাসন্তী পোলাও বানাতে জাস্ট এটা করুন

Basanti Polao Recipe: পুজোর মেনুতে বাসন্তী পোলাও রাঁধতে গিয়ে দলা পাকিয়ে যাচ্ছে? রেস্তোরাঁর মতো নিখুঁত আর ঝরঝরে পোলাও বাড়িতে বানাতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খান। তবে রান্নার ছোট্ট একটা ভুলেই মাটি হতে পারে স্বাদ। ঠিক কোন গোপন কৌশলে রাঁধলে পোলাওয়ের প্রতিটি দানা আলাদা থাকবে? জেনে নিন।

Durga Puja Special: পোলাও রাঁধতে গিয়ে দলা পাকিয়ে যাচ্ছে? রেস্তোরাঁর মতো ঝরঝরে বাসন্তী পোলাও বানাতে জাস্ট এটা করুন
কী কী করবেন?Image Credit: Pinterest
| Updated on: Oct 12, 2026 | 12:52 PM
Share

অষ্টমীর দুপুর বা নবমীর রাতে কষা মাংসের সঙ্গে এক থালা বাসন্তী পোলাও না হলে কি চলে? কিন্তু বাড়িতে এই পোলাও রাঁধতে গেলেই একটা ভয় কাজ করে। যদি দলা পাকিয়ে যায়? জল বেশি হয়ে চাল গলে যাবে না তো? রেস্তোরাঁর মতো সেই ঝরঝরে পোলাও বাড়িতে বানাতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খান। তবে এবার আর কোনও চিন্তা নেই। রান্নার ছোট্ট কয়েকটা কৌশল জানা থাকলে, পোলাও হবে একেবারে নিখুঁত। কী সেই কৌশল? চলুন ধাপে ধাপে দেখে নেওয়া যাক।

চাল ধোয়া ও শুকনো: পোলাও ঝরঝরে করার প্রথম শর্ত হল চালের স্টার্চ পুরোপুরি বের করে দেওয়া। তাই আলতো হাতে জল বদলে বদলে তিন-চার বার গোবিন্দভোগ চাল ধুয়ে নিন। এরপর ছাঁকনিতে জল ঝরিয়ে একটা বড় থালায় ছড়িয়ে ফ্যানের হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। চাল সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে হালকা গরম ঘি আর সামান্য হলুদ গুঁড়ো দিয়ে খুব যত্ন করে মেখে রাখুন।

সুগন্ধি ফোড়ন ও চাল ভাজা: গ্যাস বা ইন্ডাকশনে কড়াই চাপিয়ে বেশ কিছুটা ঘি গরম করে নিন। চাইলে ঘিয়ের সঙ্গে সামান্য সাদা তেল মিশিয়ে নিতে পারেন, এতে পোলাও অতিরিক্ত ভারী হয় না। গরম ঘিয়ের মধ্যে একে একে গোটা গরম মশলা, তেজপাতা আর চেরা কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিন। মশলা ভাজার সুগন্ধ বেরোলেই কড়াইয়ে দিয়ে দিন ঘি-মাখানো সেই সোনালি চাল। এই সময়ে আঁচ একদম কমিয়ে রাখবেন। সময় নিয়ে চালটা ভাজুন। চাল ঠিকমতো ভাজা না হলে পোলাও কখনও ঝরঝরে হবে না। চাল ভাজার সুগন্ধ বেরোতে শুরু করলে, তার মধ্যেই ছড়িয়ে দিন সামান্য নুন আর এক মুঠো কাজু-কিশমিশ।

জলের সঠিক মাপ ও গোপন টিপস: পোলাও রান্নার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হল জলের মাপ। মাপ সামান্য এদিক-ওদিক হলে চাল গলে একেবারে কাদা হয়ে যেতে পারে। খুব সহজ একটা হিসেব মাথায় রাখুন। যত কাপ চাল নেবেন, জল দিতে হবে ঠিক তার দ্বিগুণ। অর্থাৎ, দু’কাপ চাল হলে চার কাপ জল দিন। আর হ্যাঁ, অবশ্যই মনে রাখবেন, পোলাওয়ে দেওয়ার জন্য জল আগে থেকেই হালকা গরম করে রাখতে হবে। ঠান্ডা জল দিলে পোলাও দলা পাকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। গরম জল দেওয়ার পর ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। মিনিট সাতেক পর ঢাকনাটা তুললেই দেখবেন, জল শুকিয়ে চাল একেবারে সেদ্ধ হয়ে গিয়েছে।

শেষ মুহূর্তের ম্যাজিক: রান্না কিন্তু এখনও শেষ হয়নি। চাল সেদ্ধ হওয়ার পরেই মেশান পরিমাণমতো চিনি। আগে চিনি দিলে চাল ঠিকমতো সেদ্ধ হতে চায় না। মিষ্টি মেশানোর পর রান্না শেষ হলে কড়াই বা হাঁড়িতে পোলাও ফেলে রাখবেন না। একটা বড় থালায় পুরো পোলাও ছড়িয়ে দিন। হাওয়ায় একটু ঠান্ডা হলে দেখবেন, প্রতিটি দানা আলাদা হয়ে গিয়েছে।

ব্যাস, এভাবেই খুব সহজে তৈরি হয়ে যাবে নিখুঁত আর ঝরঝরে বাসন্তী পোলাও। এবার কষা মাংস বা আলুর দমের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন আর পুজোর আড্ডায় অতিথিদের চমকে দিন!

Follow Us