AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কেন খেলা হয় হোলি? জানুন এই উৎসবের বিশেষ মাহাত্ম্য

পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক ‘হোলিকা দহন’। তার ঠিক পরের দিনই আবির ও রঙের জোয়ারে ভেসে ওঠে গোটা দেশ। পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর আগামী ৩ মার্চ পালিত হবে হোলিকা দহন এবং ৪ মার্চ পালিত হবে রঙের উৎসব হোলি।

কেন খেলা হয় হোলি? জানুন এই উৎসবের বিশেষ মাহাত্ম্য
| Updated on: Feb 27, 2026 | 7:37 PM
Share

সনাতন ধর্মে দোল বা হোলি উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক ‘হোলিকা দহন’। তার ঠিক পরের দিনই আবির ও রঙের জোয়ারে ভেসে ওঠে গোটা দেশ। পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর আগামী ৩ মার্চ পালিত হবে হোলিকা দহন এবং ৪ মার্চ পালিত হবে রঙের উৎসব হোলি।

ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে ব্রজধামে লাড্ডুমার হোলি, লঠমার হোলি, ফুলের হোলি থেকে শুরু করে ছড়িমার হোলি— বিভিন্ন আঙ্গিকে এই উৎসব পালন করা হয়। তবে এই উৎসবের মূল আকর্ষণ হলো রঙ। লাল, নীল, হলুদ বা সবুজ রঙের আবিরে একে অপরকে রাঙিয়ে দেওয়ার এই প্রথার পিছনে রয়েছে গভীর জ্যোতিষতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় কারণ।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, হোলিকা দহন যাকে (বাংলায় বুড়ির ঘর পোড়ানো বা নেড়া পোড়ানো বলা হয়) পর্যন্ত সময়কালকে খুব একটা শুভ বলে মনে করা হয় না। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়ে নবগ্রহ অত্যন্ত উগ্র অবস্থায় থাকে। পণ্ডিত ও জ্যোতিষীদের মতে, প্রতিটি রঙের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু গ্রহের গভীর সংযোগ রয়েছে। হোলির দিনে সঠিক রঙের ব্যবহার মানুষের জীবন থেকে গ্রহের প্রতিকূলতা ও নেতিবাচকতা দূর করতে সাহায্য করে। এই উৎসব মানুষের মনে নতুন শক্তি ও উৎসাহের সঞ্চার করে। এমনকি ভেষজ বা প্রাকৃতিক রঙের ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তোলে।