Kolkata Municipal Corporation: ফিরহাদ গেলেও ভাঙছে না কলকাতা পুরসভার পুর বোর্ড?
Kolkata Municipal Corporation board controversy: বিজেপি কাউন্সিলর তথা বিধায়ক যদিও বলছেন, “আনি যতদূর জানি মেয়রের পদত্যাগ বোর্ড ভেঙে যাওয়া। কাউন্সিলর থেকে যাহে কিন্তু এমআইসি থাকবে না। আর এমআইসি না থাকা মানে বোর্ড ভেঙে যাওয়া। বাকি সাংবিধানিক বিষয়, যিনি পুর কমিশনার আছেন তিনি উত্তর দেবেন।”

কলকাতা: ধোঁয়াশা অব্যাহত রইল কলকাতা পুরসভার বোর্ড ভাঙা এবং নয়া মেয়র নির্বাচন নিয়ে। সোজা কথায় চাপানউতোর চলছে পুরোদমে। পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতর থেকে যখন কলকাতা পুরসভার ১৯৮০ আইনের ১১৭ (১) ধারায় পৌর কমিশনারকে নোটিশ পাঠিয়ে বোর্ড ভাঙার জন্য বলা হয়েছে, তখনই কলকাতা পুরসভার ১৯৮০ আইনের ৩৮ নম্বর ধারা প্রয়োগ করার কথা বললেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়।
তিনি বলছেন, ৩৮ নম্বর ধারায় বলা রয়েছে, যদি মেয়র অনুপস্থিত থাকেন বা অন্য কোন কারণে কলকাতা পুরসভার মেয়র নিজের দায়িত্ব পালন না করেন বা ছুটিতে থাকেন, তাহলে কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র সেই জায়গায় মেয়রের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। বোর্ড ভাঙতে হবে না। যতদিন না নতুন মেয়র নির্বাচিত হচ্ছে, ততদিন ডেপুটি মেয়র কাজ করতে পারবেন। এরপর আস্থা ভোটের মাধ্যমে মেয়র নির্বাচিত করে ব্যুরো প্রশাসনের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
অর্থাৎ, বোর্ড ভাঙার জল ঢেলে দিলেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়। আগামী ১৯ জুন কলকাতা পুরসভার মাস মাসিক অধিবেশন হবে বলেও তিনি জানিয়ে দিলেন। অর্থাৎ নতুন করে সংঘাত পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বিজেপি কাউন্সিলর তথা বিধায়ক যদিও বলছেন, “আনি যতদূর জানি মেয়রের পদত্যাগ বোর্ড ভেঙে যাওয়া। কাউন্সিলর থেকে যাহে কিন্তু এমআইসি থাকবে না। আর এমআইসি না থাকা মানে বোর্ড ভেঙে যাওয়া। বাকি সাংবিধানিক বিষয়, যিনি পুর কমিশনার আছেন তিনি উত্তর দেবেন।”
প্রসঙ্গত, কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসাবে ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর। ওই মাসেই মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। ওই পর্যায়ে ফিরহাদ দায়িত্ব সামলালেন ৭ মে, ২০২০ পর্যন্ত। এরপর করোনার প্রভাব পড়ল। কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক বসলেন। ফিরহাদ হাকিম বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকলেন। করোনা মিটতে কলকাতা পুরসভায় নির্বাচন হল। ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম।
