Cigarette Smoking: ঠিক কতদিন সিগারেট না খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপান ছাড়ার সুফল কয়েক দিনের মধ্যেই শরীরে দেখা দিতে শুরু করে। ধূমপান বন্ধ করার পর রক্তে নিকোটিনের মাত্রা কয়েক দিনের মধ্যে শূন্যে নেমে আসে। একই সঙ্গে কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রাও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পায়।

ধূমপানে ক্যানসার হয় সে কথা সকলের জানা। ফুসফুসে বাড়ে ক্যানসারের ঝুঁকি। তবে এটা কি জানেন, ধূমপায়ীরা ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর শরীর ধীরে ধীরে নিজেকে সুস্থ করে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করে। বয়স বেশি হোক বা কম, কিংবা একজন ব্যক্তি কত বছর ধরে ধূমপান করেছেন শরীর সে সব দেখে না। ধূমপান ছাড়লেই ধীরে ধীরে শরীর নিজেকে সুস্থ করার চেষ্টা শুরু করে। তবে জানেন? ঠিক কতদিন সিগারেট না খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপান ছাড়ার সুফল কয়েক দিনের মধ্যেই শরীরে দেখা দিতে শুরু করে। ধূমপান বন্ধ করার পর রক্তে নিকোটিনের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে শূন্যে নেমে আসে। একই সঙ্গে কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রাও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসে।
ধূমপান ছাড়ার পর ১ থেকে ১২ মাসের মধ্যে কাশি এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ কমতে শুরু করতে পারে। শুধু ফুসফুস নয়, হৃদ্যন্ত্রের উপরও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। ধূমপান ছাড়ার এক থেকে দুই বছরের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমতে শুরু করে।
তবে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার ক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হয় আরও বেশি সময়। ধূমপান ছাড়ার ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বিভিন্ন ক্যানসারের ঝুঁকি অর্ধেক কমে আসতে পারে। ফুসফুসের ক্যানসারের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি কমে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে,যাঁরা ধূমপান চালিয়ে যান,তাঁদের তুলনায় ধূমপান ছাড়ার ১০ থেকে ১৫ বছর পর ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক কমে যেতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ১৫ বছর পর ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে দূর হয়ে যায়।
বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধূমপান করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কিছুটা অতিরিক্ত ঝুঁকি থেকেই যেতে পারে। ধূমপান ছাড়ার পর সেই ঝুঁকি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তাই যত দ্রুত ধূমপান ছাড়া সম্ভব,ততই লাভ।
