Relationship Tips: পড়ল প্রেমের মাস, ভালোবাসার মরসুমে উষ্ণতা বাড়াতে চাইলে করুন কয়েকটি ছোট্ট কাজ
প্রেমের মাসে যাঁরা সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে চান, দাম্পত্যে উষ্ণতা বাড়াতে চান, তাঁরা কয়েকটি ছোট্ট কাজ করতে পারেন। এ বিষয়ে কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ?

কারা যে ডাকিল পিছে
বসন্ত এসে গেছে…
পড়ল প্রেমের মাস… ফেব্রুয়ারি মাস মানেই আকাশে বাতাসে যেন বইছে প্রেমের হাওয়া। ক্যালেন্ডার বলছে আজ ১ ফেব্রুয়ারি। আর বেশি দিন বাকি নেই ১৪ ফেব্রুয়ারি আসতে। সেই দিন ভ্যালেন্টাইন্স ডে। অনেক বাঙালির কাছে সরস্বতী পুজোও প্রেমদিবসের সমান। গত কয়েক বছরের ক্যালেন্ডার ফিরে দেখলে নজরে পড়ে মাঝে মাঝে ১৪ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন পড়েছিল। এ বছর তেমনটা হচ্ছে না। কারণ ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি পড়েছে সরস্বতী পুজো। এ তো গেল সরস্বতী পুজোর সঙ্গে প্রেমদিবসের এক অদৃশ্য যোগের কথা। প্রেমের মাসে যাঁরা সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে চান, দাম্পত্যে উষ্ণতা বাড়াতে চান, তাঁরা কয়েকটি ছোট্ট কাজ করতে পারেন। এ বিষয়ে কী জানাচ্ছেন মনের ডাক্তার?
বর্তমানকালে অনেক দাম্পত্যে উষ্ণতার অভাব দেখা যায়। ছোট্ট কয়েকটি বিষয় নজরে রাখলেই সেই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডক্টর দেবাঞ্জন পান এ বিষয়ে বলেছেন, ‘আমরা আপামর মানুষ বোধহয় এই সমস্যায় ভুগছি যেখানে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোথাও না কোথাও একটা শীতলতা চলে আসছে। কোথাও গিয়ে মনে হচ্ছে সেখানে সেই আগের উত্তাপ আর নেই। আমাদের এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে কোথায় ভুল করছি।’
সময় বড়ই মূল্যবান। একে অপরকে সময় না দেওয়ার ফলে সম্পর্কে দূরত্ব বাড়তে থাকে। এই প্রসঙ্গে ডক্টর দেবাঞ্জন বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় ভুল আমরা যেটা করছি, সেটা হল পরস্পরকে সময় না দেওয়া। কারণ আমাদের অধিকাংশ সময় এখন কাটছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বা আমাদের নিজেদের কাজে। সুতরাং আমাদের এটা মাথায় রাখতে হবে যে, নিজস্ব যে জগত তাতে কাজ বা সোশ্যাল মিডিয়ার বাইর বেরিয়ে এসে যে মানুষটির সঙ্গে সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হচ্ছে সেই মানুষটিকে সময় দিতে হবে। তাঁর চোখের দিকে তাকাতে হবে। তাঁর ভ্রু ভঙ্গি নজর রাখতে হবে। এবং তাঁর মুখের অভিব্যক্তির দিকে খেয়াল করতে হবে।’
দম্পতিদের সম্পর্ক ভালো রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ? মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দেবাঞ্জন বলেছেন, ‘আমরা রোজ কাপলদের এটা বলি যে, আপনারা কাজের জায়গা থেকে বাড়িতে ফিরে এসে অন্য কোনও কিছু করার আগে নিজেদের একটু সময় দিন। যেখানে আপনাদের দৈনন্দিন জীবন কেমন কেটেছে? সেখানে নতুন কোনও ঘটনা ঘটেছে কিনা, এই সব পুঙ্খানুপুঙ্খ জিনিসগুলো আলোচনার মধ্যে দিয়ে শেয়ারিং করুন। এটা করতে পারলে যে উষ্ণতা পাবেন, সেটা হয়তো অনেক পুরনো দিন ফিরিয়ে দিচ্ছে।’
স্পর্শর গুরুত্ব সকলের জীবনে বিরাট। এটি যে সুখী দাম্পত্য জীবনেও বিশেষ সহায়ক। এই নিয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ‘আমরা স্পর্শ হারিয়ে ফেলছি। স্পর্শ যে কোনও সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। যখন কথা বলবেন পার্টনারের যদি সামান্য হাত ধরা যায়, তা হলে সেটার মধ্য দিয়ে কিন্তু আমাদের শরীর থেকে ট্রাস্ট হরমোন, অক্সিটোসিন বেরোতে পারে। এবং এই ভাবে সঙ্গীকে যত বেশি স্পর্শ করতে পারবেন, তাতে আপনার বা অন্যের মনের অভিব্যক্তির জায়গা বেশি প্রকাশিত হবে ও বন্ধন অনেক মজবুত হবে।’
