AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ব্লাশ কিছুতেই মুখে মানাচ্ছে না? সঠিক রং বাছুন এভাবে

সঠিক ব্লাশ কেনার প্রথম ধাপ হলো নিজের ত্বকের আন্ডারটোন চেনা। হাতের কবজির শিরার রঙ যদি নীল বা বেগুনি হয়, তবে তা ‘কুল’ আন্ডারটোন। শিরা সবুজ দেখালে সেটি ‘ওয়ার্ম’ আর দুইয়ের মিশ্রণ থাকলে তা ‘নিউট্রাল’ আন্ডারটোন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আন্ডারটোন বুঝে মেকআপ করলে সাজ হবে নিখুঁত।

ব্লাশ কিছুতেই মুখে মানাচ্ছে না? সঠিক রং বাছুন এভাবে
| Updated on: Mar 24, 2026 | 6:55 PM
Share

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ব্লাশ লাগাতে গিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান—কোন রঙের ব্লাশটি আজ গালে মানাবে? সামান্য একটু রঙের ছোঁয়া যেমন চেহারায় নিমেষেই সতেজতা আর আভিজাত্য নিয়ে আসতে পারে, তেমনই ভুল শেডের নির্বাচনে পুরো সাজটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। মেকআপ মানে কেবল রঙ মাখা নয়, বরং নিজের ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাকে ফুটিয়ে তোলা। আর এই কাজে ব্লাশের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু আপনার ত্বকের জন্য সঠিক ব্লাশ কোনটি? বিশেষজ্ঞ ও রূপটান শিল্পীদের মতে, কেবল গায়ের রঙ নয়, বরং ত্বকের ‘আন্ডারটোন’ বুঝে সঠিক ফর্মুলা বেছে নিতে হবে। তাহলেই সাজ হবে পরিপূর্ণ।

সঠিক ব্লাশ কেনার প্রথম ধাপ হল নিজের ত্বকের আন্ডারটোন চেনা। হাতের কবজির শিরার রঙ যদি নীল বা বেগুনি হয়, তবে তা ‘কুল’ আন্ডারটোন। শিরা সবুজ দেখালে সেটি ‘ওয়ার্ম’ আর দুইয়ের মিশ্রণ থাকলে তা ‘নিউট্রাল’ আন্ডারটোন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আন্ডারটোন বুঝে মেকআপ করলে সাজ হবে নিখুঁত।

ত্বকের বর্ণ অনুযায়ী সঠিক শেড কিভাবে বাছবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সব রঙের ব্লাশ সব ধরনের ত্বকে সমানভাবে ফোটে না। গায়ের রঙের ওপর ভিত্তি করে ব্লাশ নির্বাচনের কিছু সহজ নিয়ম রয়েছে:

ফর্সা ত্বক: যারা খুব ফর্সা, তাদের জন্য হালকা গোলাপি বা পিচ রঙ সবচেয়ে ভালো। খুব গাঢ় রঙ ব্যবহার করলে তা কৃত্রিম মনে হতে পারে। হালকা রঙের ছোঁয়া চেহারায় একটি প্রাকৃতিক লাবণ্য নিয়ে আসে।

উজ্জ্বল থেকে শ্যামলা ত্বক: এশীয় অঞ্চলের মানুষের ত্বকের রঙ সাধারণত মাঝারি বা শ্যামবর্ণের হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে কোরাল, রোজি পিঙ্ক বা উজ্জ্বল পিচ রঙ সবচেয়ে বেশি মানানসই। এই রঙগুলো ত্বকে একটি উষ্ণ ভাব তৈরি করে যা দেখতে অত্যন্ত সজীব লাগে।

চাপা গায়ের রঙ: গভীর বা চাপা গায়ের রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল বেরি, ব্রিক রেড বা টেরাকোটা রঙ বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এই গাঢ় রঙগুলো চাপা ত্বকে খুব সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে এবং চেহারায় আভিজাত্য ফুটিয়ে তোলে।

পাউডার নাকি ক্রিম ব্লাশ: কোনটি বাঁচবেন?

ব্লাশের ফর্মুলা বা টেক্সচার কেমন হবে, তা নির্ভর করে ত্বকের ধরনের ওপর। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য পাউডার ব্লাশ আদর্শ, কারণ এটি বাড়তি তেল শুষে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকে। অন্যদিকে, শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ ব্যবহার করা ভালো। এটি ত্বকের সঙ্গে মিশে গিয়ে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাকে ফুটিয়ে তোলে।

ব্লাশ সব সময় অল্প করে নিয়ে গালে লাগানো উচিত। প্রয়োজন হলে পরে আরও লেয়ার দেওয়া যেতে পারে। হাসলে গালের যে অংশটি ফুলে ওঠে, সেখান থেকে শুরু করে ওপরের দিকে হালকাভাবে ব্লেন্ড করলে মুখ দেখতে অনেক বেশি স্লিম এবং সুন্দর লাগে। সঠিক শেড এবং সঠিক প্রয়োগেই মেক আপ করে আপনি হবেন লাবণ্যময়ী।

Follow Us