Puffy Eyes After Crying: কেঁদে কেঁদে চোখ ফুলে আলু? ১৫ মিনিটে ফোলাভাব কমান এভাবে
Puffy eyes remedy: সারা রাত কেঁদে চোখের তলায় যেন দুটো আলু গজিয়েছে? সকালে আয়নায় নিজের ফোলা চোখ দেখে বাইরে বেরোতে অস্বস্তি হচ্ছে? চিন্তা নেই, রান্নাঘরের কয়েকটি চেনা উপাদানেই এই ফোলা ভাব গায়েব হবে ম্যাজিকের মতো। কীভাবে নিমেষে চোখের ক্লান্তি দূর করবেন? জেনে নিন সহজ এই ঘরোয়া টোটকাগুলো।

ব্রেকআপের দুঃখ হোক, অফিসে বসের বকুনি, কিংবা মাঝরাতে বসে ইমোশনাল কোনও সিনেমা দেখা, কারণ যাই হোক না কেন, কেঁদে বালিশ ভেজানোর পরদিন সকালে আয়নায় নিজের মুখ দেখলেই চমকে যেতে হয়! চোখের তলায় যেন দুটো আস্ত আলু গজিয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় অফিসে যাওয়া তো দূর, পাড়ার মোড়ে চা খেতে গেলেও লোকজন এমনভাবে তাকাবে যেন ভিন গ্রহের কোনও প্রাণী রাস্তায় নেমেছে। তখন মনে প্রশ্ন জাগে, এই ফোলা চোখ নিয়ে কি এখন মুখ লুকিয়ে ঘুরতে হবে? একদমই নয়! বরং কয়েকটি মজাদার আর সহজ ঘরোয়া টোটকা কাজে লাগালেই চোখের ফোলা ভাব নিমেষে গায়েব হয়ে যাবে।
কী কী করবেন?
বরফ থেরাপি
ফ্রিজ থেকে বরফ বের করুন। একটা পরিষ্কার সুতির কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ নিয়ে চোখের চারপাশে আলতো করে সেঁক দিন। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা চামচও চোখের ওপর চেপে ধরতে পারেন। এতে চোখের চারপাশের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং ফোলা ভাব দ্রুত কমে যায়।
শসার কেরামতি
স্যালাড তো অনেক খেলেন, এবার একটু চোখের যত্ন নিন। শসা গোল করে কেটে কিছুক্ষণ ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা শসার টুকরো চোখের ওপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে শুয়ে থাকুন। চোখ বন্ধ করে ভাবুন আপনি কোনও দামি স্পা-তে গিয়েছেন। শসার ঠান্ডা স্পর্শে চোখের ফোলা ভাব কমবে, আর মনটাও বেশ ফুরফুরে হবে।
টি ব্যাগের ম্যাজিক
চা খেয়ে টি ব্যাগ ডাস্টবিনে ফেলার স্বভাব? এবার থেকে একটু কিপটেমি করুন! ব্যবহার করা গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি ব্যাগ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। তারপর চোখের ওপর ১৫ মিনিট ফেলে রাখুন। চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি এমনভাবে শুষে নেবে, যেন আগের রাতে কিছুই হয়নি।
গোলাপ জল
চোখের ফোলা ভাব ও লালচে ভাব কমাতে গোলাপ জলের জুড়ি মেলা ভার। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা গোলাপ জলে তুলো ভিজিয়ে চোখের ওপর কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিমেষে চোখের ক্লান্তি দূর হবে। তখন আয়নায় নিজেকে দেখলে মনে হবে, চোখ তো বেশ চকচক করছে!
প্রচুর জল খান
কান্নাকাটি করে চোখের জল হয়ে শরীরের অনেকটা জল বেরিয়ে গিয়েছে! তাই সেই ঘাটতি তো মেটাতে হবে। প্রচুর পরিমাণে জল খান। ডিহাইড্রেশন কাটলেই চোখের ফোলা ভাব অনেকটা কমে যাবে।
সুতরাং, এরপর থেকে মন খারাপ হলে প্রাণ খুলে কাঁদুন। তবে কান্নার পর এই টোটকাগুলো মাথায় রাখতে ভুলবেন না। দেখবেন, পরদিন কেউ টেরই পাবে না যে আগের রাতে কতটা ইমোশনাল ড্রামা হয়ে গিয়েছে!
