Weight Loss: স্বাস্থ্যকর এই ৫ খাবারই চর্বিতে ভর্তি, নিয়মিত খেলে এক মাসে ১০ কেজি ওজন বেড়ে যাবে
Weight gain food: বাজারে মুজলি, গ্রানোলা, ফ্লেভারড কর্নফ্লেক্স অনেক কিছুই পাওয়া যায়। বলা হয় যে গোটা শস্য ওজন কমাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। হেলদি ব্রেকফাস্ট হিসেবে অনেকেই দুধ, মুজলি এসব খান। তবে নিয়মিত ভাবে এই মুজলি, গ্রানোলা খেলে সেখান থেকে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে

আজকাল ওজন কমানোর জন্য সকলেই চেষ্টা করছেন। কেউ করছেন ডায়েট, কেউ শরীরচর্চা। প্রচুর মানুষ এখন পুষ্টিবিদের পরামর্শও নিচ্ছেন। বিশ্বজুড়ে ওবেসিটি এখন সবচাইতে বড় সমস্যা। সম্প্রতি একটি সমীক্ষাতে উঠে এসেছে এই তথ্য। ওজন কমানোর জন্য অনেকেই সহজ পদ্ধতি খোঁজেন। বাজারজাত স্লিমিং ক্যাপসুল খেয়ে শর্টকাট পদ্ধতিতেও অনেকে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। এতে শরীরের অনেক বেশি ক্ষতি হয়। অতিরিক্ত ওজন একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। হার্টের সমস্যা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, ক্যানসার, হাই কোলেস্টেরলের সমস্যা অনেক বেশি বাড়ছে। লাইফস্টাইল ডিজিজ এখন আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি বেড়েছে। সব মিলিয়ে সুস্থ থাকতে গেলে প্রথমেই যা করতে হবে তা হল অতিরিক্ত ওজন জরিয়ে ফেলতে হবে। নিয়ম মেনে খাওয়া দাওয়া করতে হবে। ডায়াটেশিয়ান শ্বেতা জে পাঞ্চাল তাই দিয়েছেন বিশেষ কিছু টিপস। এই টিপস মেনে চলতে পারলে আখেরে লাভ হবে আপনারই।
বাজারে মুজলি, গ্রানোলা, ফ্লেভারড কর্নফ্লেক্স অনেক কিছুই পাওয়া যায়। বলা হয় যে গোটা শস্য ওজন কমাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। হেলদি ব্রেকফাস্ট হিসেবে অনেকেই দুধ, মুজলি এসব খান। তবে নিয়মিত ভাবে এই মুজলি, গ্রানোলা খেলে সেখান থেকে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ডায়াটেশিয়ানদের মতে এগুলি সম্পূর্ণ গমের তৈরি নয়। এর মধ্যে চিনি, ময়দা, পাম তেলের মত ক্ষতিকর উপাদান থাকে।
বাজারে লো ক্যালোরি সুগার ফ্রি কোক বিক্রি হয়। যা ডায়েট কোক হিসেবে পরিচিত। এই পানীয়ের মধ্যে মিষ্টি স্বাদ আনতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক যোগ করা হয়। এগুলি সোডার সঙ্গে মিশে আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। তাই কোনও রকম চিনি দেওয়া পানীয় খাবেন না।
হেলদি বার্গার, পিৎজা, পেস্ট্রি কখনও হয় না। ওজন কমাতে যে কোনও ভাজা খাবার থেকে একেবারেই দূরে থাকতে হবে। বাইরের খাবারে যে তেল মেশানো হয় তা অত্যন্ত নিম্নমানের। এসব খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি।
অ্যালকোহল একেবারেই চলবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এক ফোঁটা অ্যালকোহলই ক্যানসারের অন্যতম কারণ। অতিরিক্ত খেলে সেখান থেকে ওবেসিটির সমস্যা আসতেই পারে। সেই সঙ্গে এটাও ভাববেন না যে কাপের পর কাপ গ্রিন টি খেলেই ওজন কমে যাবে। নিয়মিত শরীরচর্চা আর ক্যালোরি মেপে খেলে তবেই বাড়তি ওজন ঝরাতে পারবেন।
