Pandal hopping foot pain: পুজোয় হেঁটে পায়ে যন্ত্রণা? কয়েক মিনিটে আরাম পেতে এটা করুন
Quick leg pain remedies: আজ মহানবমী! কিন্তু অষ্টমীর রাত জাগার পর পায়ের ব্যথায় নবমীর প্ল্যান কি ভেস্তে যেতে বসেছে? নতুন জুতো আর হিলের চোটে পায়ের বারোটা বাজলে, চটজলদি আরাম পেতে ট্রাই করুন এই ম্যাজিক টোটকা। কী কী করবেন?

আজ মহানবমী (Maha Navami)। পুজোর আনন্দ একেবারে তুঙ্গে। কিন্তু অষ্টমীর রাতভর প্যান্ডেল হপিংয়ের পর কি বিছানা থেকে উঠতেই কষ্ট হচ্ছে? নতুন জুতোর কামড় আর কায়দা করা হিলের চোটে পায়ের অবস্থা কি বেহাল? তবে কি নবমীর রাতের ঠাকুর দেখার প্ল্যান পুরোটাই মাটি হতে চলেছে? একেবারেই নয়। বাড়িতে থাকা সাধারণ কিছু টোটকায় ম্যাজিকের মতো উধাও হবে এই যন্ত্রণা। নবমীর রাতে ফের নতুন উদ্যমে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়ার আগে, চটজলদি পা ব্যথা সারানোর কিছু দারুণ উপায় জেনে নিন।
কী কী করবেন?
গরম জলে নুনের স্পা পার্লারে গিয়ে পায়ের যত্ন নেওয়ার সময় এখন নেই। তাই বাড়িতেই করতে হবে মুশকিল আসান। পায়ে ব্যথার সবচেয়ে পুরনো এবং সুপারহিট উপায় হল গরম জলে পা ডুবিয়ে রাখা। পায়ের দিকে তাকিয়ে মন খারাপ না করে, হালকা গরম জলে কিছুটা নুন মিশিয়ে তাতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে বসতে হবে। নুন পেশির ক্লান্তি দূর করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এর ফলে নিমেষেই পায়ের ব্যথা অনেকটা কমে যাবে।
বরফ সেঁক সারারাত শক্ত জুতো বা হিল পরে হাঁটার কারণে যদি পা ফুলে একেবারে ঢোল হয়ে থাকে, তবে বরফ সেঁক দিতে পারেন। ফ্রিজ থেকে কয়েক টুকরো বরফ বের করে একটি পরিষ্কার সুতির কাপড়ে পেঁচিয়ে ব্যথার জায়গায় লাগালে খুব দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। তবে মনে রাখবেন, সরাসরি ত্বকে কখনও বরফ লাগানো উচিত নয়।
তেলের মালিশ পায়ে ব্যথা কমাতে তেলের মালিশ দারুণ কাজ করে। সামান্য সর্ষের তেল বা নারকেল তেল হালকা গরম করে পায়ের পাতায় এবং গোড়ালিতে ভালো করে মালিশ করতে হবে। এতে রক্ত চলাচল বাড়ে আর পেশির আড়ষ্টতা কেটে গিয়ে ব্যথা দ্রুত কমে।
বিশ্রাম টানা হেঁটে পায়ের অবস্থা যখন কাহিল, তখন তাকে একটু নবাবের মতো বিশ্রাম দেওয়া দরকার। বিছানায় শোয়ার সময় পায়ের তলায় একটি বা দুটি বালিশ দিয়ে পা উঁচু করে রাখতে পারেন। এতে পায়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং ফোলা ভাব অনেকটাই কমে যায়।
সঠিক জুতোর খোঁজ স্টাইল তো অনেক হল, এবার একটু আরামের কথা ভাবা যাক! নবমীর রাতে একটানা হাঁটার জন্য নরম সোলের ফ্ল্যাট জুতো পরাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। নতুন জুতো পরে পায়ে ফোস্কা বা ব্যথা হলে পরের দিন এমন জুতো পরতে হবে, যা পায়ে আরাম দেয়। খুব উঁচু হিল বা শক্ত জুতো দশমী পর্যন্ত তুলে রাখাই ভালো।
এই ছোট ছোট নিয়মগুলো মেনে চললে পায়ের ব্যথা পুজোর আনন্দে কোনও বাধা তৈরি করতে পারবে না। তাই পায়ে আরাম দিন আর সুস্থ শরীরে নবমীর রাত চুটিয়ে উপভোগ করুন।
