মুখে চামড়া খসে পড়ছে? সমস্যাটা শুধু শীতের নয়, অভ্যাসেও লুকিয়ে বিপদ
শীতকাল পড়লেই অনেকেই মুখে মাখেন দামী দামী ময়েশচারাইজার। অথচ শীতে জল খেতেই ভুলে যান অনেকে। ভেতর থেকে ত্বক হাইড্রেটেড না থাকলে সমস্যা কমে না। দিনে পর্যাপ্ত জল না খেলে তার প্রভাব প্রথমেই পড়ে ত্বকে। অনেকে আবার মুখের চামড়া উঠতে দেখলেই স্ক্রাব দিয়ে ঘষে ফেলেন বা হাত দিয়ে টেনে তোলেন। এতে সাময়িকভাবে ত্বক পরিষ্কার দেখালেও ভেতরে ভেতরে হয় মারাত্মক ক্ষতি। ত্বকের সুরক্ষা স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরবর্তী সময়ে আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে ত্বক।

হঠাৎ আয়নায় তাকিয়ে দেখছেন, মুখের চামড়া খসখসে হয়ে উঠছে। মেকআপ বসছে না, ত্বক টান টান লাগছে, কোথাও কোথাও চামড়া উঠেও যাচ্ছে। এই সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। অনেকেই ভাবেন, এটা শুধুই শীতের সমস্যা। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখের চামড়া খসে পড়ার পিছনে শুধু আবহাওয়া নয়, রোজের কিছু ভুল অভ্যাসই ১২ টা বাজাচ্ছে চামড়ার।
ত্বকের উপরের স্তর নিজেই নিজের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সক্ষম। কিন্তু অতিরিক্ত গরম জল দিয়ে মুখ ধুলে, বারবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে বা অ্যালকোহলযুক্ত স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহারে সেই প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। আর ঠিক এই কারণেই ত্বক শুষ্ক হয়ে চামড়া ওঠার মত সমস্যা দেখা যায়।
শীতকাল পড়লেই অনেকেই মুখে মাখেন দামী দামী ময়েশচারাইজার। অথচ শীতে জল খেতেই ভুলে যান অনেকে। ভেতর থেকে ত্বক হাইড্রেটেড না থাকলে সমস্যা কমে না। দিনে পর্যাপ্ত জল না খেলে তার প্রভাব প্রথমেই পড়ে ত্বকে।
অনেকে আবার মুখের চামড়া উঠতে দেখলেই স্ক্রাব দিয়ে ঘষে ফেলেন বা হাত দিয়ে টেনে তোলেন। এতে সাময়িকভাবে ত্বক পরিষ্কার দেখালেও ভেতরে ভেতরে হয় মারাত্মক ক্ষতি। ত্বকের সুরক্ষা স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরবর্তী সময়ে আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে ত্বক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুখ পরিষ্কারের জন্য হালকা ক্লিনজার ব্যবহার করা উচিত। মুখ ধোয়ার পর ত্বক পুরো শুকিয়ে যাওয়ার আগেই ময়েশ্চারাইজার লাগালে আর্দ্রতা বজায় থাকে। যেসব ময়েশ্চারাইজারে সেরামাইড বা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড রয়েছে, সেগুলি শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি উপকারী।
প্রাকৃতিক উপাদানও এই সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে পারে। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে ভালো রাখে, জ্বালাভাব কমায়। রাতে ঘুমোনোর আগে হালকা ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বক মেরামতির সময় পায়। তবে চামড়া ওঠার সঙ্গে যদি চুলকানি, লালচে ভাব বা জ্বালা খুব বেশি থাকে, তাহলে নিজে চিকিৎসা না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
