Cooking Gas Tips: রান্নার গ্যাস ফুরোচ্ছে তাড়াতাড়ি? এই ৬টি সহজ উপায়ে সিলিন্ডার চলবে অনেকদিন
Kitchen Hacks: রান্নার গ্যাসের দাম ক্রমশ বাড়ছে। তবে রান্নার সময় ছোট কিছু সহজ নিয়ম মানলে একটা গ্যাস সিলিন্ডার চলবে আরও বেশি দিন। জেনে নিন রোজকার গ্যাস বাঁচানোর ৬টি দারুণ উপায়। কী কী করবেন?

রান্নার গ্যাস (Cooking Gas) বা এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এখন বেশ চড়া। মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়লেও রান্না তো আর থামিয়ে রাখা যায় না! তাই প্রতিটি পরিবারেরই চেষ্টা থাকে, কী করে একটা সিলিন্ডার অন্তত আরও কয়েকটা দিন বেশি টানা যায়। অথচ অনেকেরই রোজকার কিছু ছোটখাটো ভুলে প্রচুর গ্যাস নষ্ট হয়। একটু বুদ্ধি খাটিয়ে রান্নার অভ্যাসে সামান্য বদল আনলেই কিন্তু সিলিন্ডার চলবে আগের চেয়ে অনেক বেশি দিন। কীভাবে? চলুন জেনে নিই সহজ কয়েকটি উপায়।
কী কী করবেন?
রান্নার আগে সব গুছিয়ে নিন
গ্যাস জ্বালানোর পর অনেকে সবজি কাটতে বা মশলা খুঁজতে ছোটেন। এতে অনেকটা গ্যাস ফালতু পুড়ে নষ্ট হয়। তাই রান্না শুরু করার আগেই সবজি কাটা, মশলা বাটা এবং দরকারি সব জিনিস হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন। এতে রান্নাও তাড়াতাড়ি হবে, আর গ্যাসও বাঁচবে।
সঠিক বাসনের ব্যবহার
ছোট পাত্র যদি বড় বার্নারে বসান, তবে আগুনের তাপ পাত্রের বাইরে বেরিয়ে নষ্ট হয়। তাই বাসনের মাপ বুঝে বার্নার বেছে নিন। যে সব বাসনের তলা সমান এবং যেগুলোতে ঢাকা দেওয়া যায়, তাতে রান্না করলে তাপ বাইরে বেরোতে পারে না। ফলে খাবার খুব তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়।
প্রেশার কুকারের ব্যবহার
চাল, ডাল, আলু বা শক্ত সবজি সেদ্ধ করার জন্য কড়াইয়ের বদলে প্রেশার কুকার ব্যবহার করুন। কুকারে বাষ্পের চাপে রান্না অনেক দ্রুত হয়, ফলে গ্যাসের খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়।
আঁচ কমানো এবং ফ্রিজের খাবার গরম করা
যেকোনও তরকারি বা ঝোল ফুটতে শুরু করলেই গ্যাসের আঁচ কমিয়ে দিন। সব রান্না গনগনে আঁচে করার দরকার হয় না। কম বা মাঝারি আঁচে রান্না করলে গ্যাস বাঁচে। অন্যদিকে, ফ্রিজ থেকে বের করেই ঠান্ডা খাবার সরাসরি গ্যাসে বসাবেন না। কিছুক্ষণ বাইরে রেখে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসার পর গরম করুন।
পরিষ্কার বার্নার ও পাইপ চেকিং
বার্নারে ময়লা জমে থাকলে গ্যাস ঠিকমতো বেরতে পারে না। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার বার্নার পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখবেন, গ্যাসের শিখা যেন সবসময় নীল রঙের হয়। এর পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকটাও মাথায় রাখতে হবে। গ্যাসের পাইপ এবং রেগুলেটর মাঝে মাঝেই চেক করুন। কোথাও লিক থাকলে গ্যাস যেমন নষ্ট হয়, তেমনি বড় বিপদের ভয়ও থাকে। একটু সতর্ক হলেই আপনার সাধের গ্যাস সিলিন্ডারটি চলবে বেশ কিছুদিন।
