Festival Skincare: পুজোর দিনে হঠাৎ মুখে ব্রণ? খোঁটাখুঁটি কান্নাকাটি না করে এটা করুন
Pimple Remedies: নাকের ডগায় উঁকি দেওয়া লালচে ব্রণ দেখে সাজগোজ মাটি হওয়ার জোগাড়! তবে চিন্তা নেই, এই বিপদে পার্লারে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। হাতের কাছের কয়েকটি সাধারণ ঘরোয়া উপাদান দিয়ে কীভাবে নিমেষে মিলবে সমাধান, তা জেনে নিন।

পুজোর সকাল। মন একদম ফুরফুরে। আলমারি থেকে বের করা হয়েছে সাধের পোশাক। কিন্তু আয়নার সামনে দাঁড়াতেই চক্ষু চড়কগাছ! নাকের ডগায় বা গালের ঠিক মাঝখানে উঁকি দিচ্ছে একটা লালচে ব্রণ। ব্যস, নিমেষে মুড অফ। মনে হচ্ছে, এত দিনের সমস্ত রূপচর্চা একেবারে জলে গিয়েছে! তবে চিন্তা নেই। এমন বিপদে পার্লারে ছোটোছুটি করার কোনও দরকার নেই। রান্নাঘর আর ফ্রিজ ঘাঁটলেই মিলবে এমন কিছু উপাদান, যা এই উৎসবের দিনেও আপনার মুখের জেল্লা ধরে রাখবে।
ব্রণ সারাতে নামী-দামি ক্রিমের বদলে ভরসা রাখুন এই সহজ ঘরোয়া টোটকাগুলোর ওপর। কী কী করবেন?
বরফ হঠাৎ বের হওয়া ব্রণর লালচে ভাব আর ব্যথা কমাতে বরফের জুড়ি মেলা ভার। একটা পরিষ্কার সুতির কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ নিয়ে ব্রণের ওপর হালকা করে চেপে ধরুন। সরাসরি ত্বকে বরফ ঘষবেন না। কয়েক মিনিট এই সেঁক দিলেই দেখবেন ব্রণের ফোলা ভাব অনেকটা কমে গিয়েছে।
মধু ও দারচিনি দারচিনির অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ আর মধুর আর্দ্রতা একসঙ্গে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এক চিমটে দারচিনি গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন। মিনিট পনেরো পর ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ব্রণ নিমেষে শুকিয়ে গিয়েছে।
অ্যালোভেরা অ্যালোভেরা জেল ত্বকের যে কোনও সমস্যার মহৌষধ। ব্রণের জায়গায় সামান্য টাটকা অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রাখুন। এটি ত্বকের জ্বালা কমায় এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ব্রণ দ্রুত সারাতে সাহায্য করে।
টি-ট্রি অয়েলের কামাল
আপনার কাছে যদি টি-ট্রি অয়েল থাকে, তবে তা এই বিপদের দিনে দারুণ কাজে আসতে পারে। তুলোয় করে মাত্র এক ফোঁটা টি-ট্রি অয়েল নিয়ে ব্রণের ওপর লাগান। তবে মনে রাখবেন, এটি কখনওই সরাসরি পুরো মুখে মাখবেন না বা অন্য কোনও তেলের সঙ্গে না মিশিয়ে বেশি পরিমাণে ব্যবহার করবেন না।
হলুদ ও গোলাপ জল হলুদের অ্যান্টি-সেপ্টিক গুণের কথা তো সবারই জানা। সামান্য হলুদের সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার জলে ধুয়ে ফেলুন।
উৎসবের দিনগুলোতে একটু ভাজাভুজি বা মিষ্টি খাওয়া হয়েই যায়। তাই এর সঙ্গে পর্যাপ্ত জল খাওয়াটাও জরুরি। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, বারবার ব্রণে হাত দেবেন না বা ফাটানোর চেষ্টা করবেন না। এতে মুখে স্থায়ী দাগ বসে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই সহজ পদ্ধতিগুলো কাজে লাগান, আর বিন্দাস হয়ে উৎসবে মেতে উঠুন।
