ঘুমের মধ্যে কথা বলা মানেই শুধু অসুস্থতা নয় বরং অন্য কিছু- জানুন
ঘুমের মধ্যে কথা বলাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে somniloquy বলা হয়। এক্ষেত্রে ঘুমের সময় কেউ জোড়ে কথা বলেন, কেউ করেন শুধু বিড়বিড় । কেউ বলেন অর্থহীন শব্দ। আবার কেউ সম্পূর্ণ কথোপকথন পর্যন্তও করে থাকেন। ঘুমন্ত ব্যক্তি কথা বললেও তিনি জানেন না কী বলেছিলেন এবং পরেও তাঁর কিছুই মনে থাকে না। কখন এটাকে স্বাভাবিক বলে ধরেন চিকিৎসকরা?

রাতে ঘুমের ঘোরে অনেকেই কথা বলেন। ঘুমের ঘোরে কথা বলা কি স্বাভাবিক? অনেকে ঘুম থেকে উঠেই পাশের জনের থেকে শোনেন রাতের বেলা বেশ কথা বলেছিলেন। রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে কথা বলেন জেনে ভয়ে থাকেন অনেকেই। আদপেও কি ভয় পাবেন ঘুমের মধ্যে কথা বলাতে? কী বলছেন গবেষকরা?
তাঁদের মতে সাধারণত ঘুমের মধ্যে কথা বলা স্বাভাবিক। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক হতে পারে। কেন ঘুমের মধ্যে কথা বলার প্রবণতা দেখা যায় জানেন? ঘুমের মধ্যে কথা বলাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে somniloquy বলা হয়। এক্ষেত্রে ঘুমের সময় কেউ জোড়ে কথা বলেন, কেউ করেন শুধু বিড়বিড় । কেউ বলেন অর্থহীন শব্দ। আবার কেউ সম্পূর্ণ কথোপকথন পর্যন্তও করে থাকেন। ঘুমন্ত ব্যক্তি কথা বললেও তিনি জানেন না কী বলেছিলেন এবং পরেও তাঁর কিছুই মনে থাকে না। কখন এটাকে স্বাভাবিক বলে ধরেন চিকিৎসকরা? ঘুম নিয়ে গবেষণা সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে জানে গিয়েছে অধিকাংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার ঘুমের মধ্যে কথা বলে থাকেন। গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ৬০-৬৫ % মানুষ জীবনে একবার হলেও এই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যান। এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয়।
তবে শিশুদের মধ্যে এটি বেশ সাধারণ বিষয়। কখন এটি অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে?
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঘুরে-ঘুরে বা নিয়মিত ঘুমের মধ্যে কথা বললে, ঘুমের মধ্যে কথা বলা ছাড়াও যদি ঘুমের মধ্যে হাঁটা, হঠাৎ বেশি পরিমাণে কথা বলা শুরু হলে , ঘন্টার পর ঘন্টা এক নাগাড়ে কথা বললে,ঘুমের মধ্যে চিৎকার বা হাত পা ছোড়ার মত লক্ষণ দেখা দিলে (REM), সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্তি বা মাথাব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কেন হয় এই সমস্যা?
REM Sleep Behavior Disorder থাকলে, Anxiety থাকলে, Depression থাকলে, Sleep Apnea (স্লিপ অ্যাপনিয়া হল একটি গুরুতর ঘুমের ব্যাধি যেখানে শ্বাস-প্রশ্বাস বারবার বন্ধ হয়ে যায় এবং শুরু হয়, যার ফলে জোরে নাক ডাকা, হাঁপানি, দিনের বেলা ক্লান্তি এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দেয়) থাকলে, কিছু ক্ষেত্রে নিউরোলজিকাল অসুখ হলে এই সমস্যা দেখা যায়।
