Expired medicine: জানেন এক্সপায়ারি ডেট পেরনো ওষুধ খেয়ে ফেললে কী হয়?
Expired medicine allergy: মাঝরাতে হঠাৎ মাথা ব্যথা বা পেট খারাপ? চোখ কচলাতে কচলাতে বাক্স থেকে একটা পুরনো ওষুধ মুখে ফেলে দিলেন! মেয়াদের তারিখটা দেখেছেন তো? না দেখলে কী মারাত্মক বিপদ হতে পারে, জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।

মাঝরাতে হঠাৎ পেট খারাপ বা মাথা যন্ত্রণা! অগত্যা ভরসা সেই বাড়ির কোণে পড়ে থাকা ওষুধের বাক্স। চোখ কচলাতে কচলাতে একটা ট্যাবলেট বের করে টপ করে মুখে পুরে তো দিলেন। একবারও কি দেখলেন ওষুধটার মেয়াদ আছে না ফুরিয়েছে? অনেকেই উত্তর দেবেন যে ওসব আর দেখার কী দরকার? আর ঠিক এই জায়গাতেই লুকিয়ে রয়েছে আসল বিপদ! যে ওষুধ শরীর সুস্থ করবে ভেবে খাচ্ছেন, সেটাই অজান্তে শরীরের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে।
কী বলেছেন চিকিৎসক?
জানেন মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া ওষুধ পেটে গেলে ঠিক কী হতে পারে? নবজীবন হাসপাতালের ডিরেক্টর ডাক্তার প্রবীণ কুমার এই বিষয়ে বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন:
ক্ষমতা হ্রাস: মেয়াদের তারিখ পেরিয়ে গেলে ওষুধের আসল কাজ করার ক্ষমতা তো কমেই যায়, সেই সঙ্গে তার রাসায়নিক উপাদানেও মারাত্মক বদল আসতে পারে।
ত্বকে অ্যালার্জির ঝুঁকি: এর ফলে শরীরে নানা রকম অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। হঠাৎ করে ত্বকে ছোট ছোট দানা বেরনো, র্যাশ বা লাল হয়ে চুলকানির মতো অস্বস্তি শুরু হতে পারে।
বিপদ যে কোনও মুহূর্তে: মেয়াদের তারিখ পেরিয়ে গেলে কোম্পানি আর ওষুধের সুরক্ষার কোনও গ্যারান্টি দেয় না। তার মানে এই নয় যে, ওষুধটি সঙ্গে সঙ্গে বিষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিপদ যে কোনও মুহূর্তে হতে পারে।
হৃদ্রোগীদের চরম বিপদ: হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট, বুকে অস্বস্তি বা অস্থিরতা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। যাঁদের আগে থেকেই হার্টের সমস্যা বা শ্বাসযন্ত্রের রোগ রয়েছে, তাঁদের জন্য এমন ওষুধ খাওয়া আরও অনেক বেশি বিপজ্জনক। সামান্য একটা ভুলের জন্য বড়সড় মাশুল গুনতে হতে পারে।জ্জনক। সামান্য একটা ভুলের জন্য বড়সড় মাশুল গুনতে হতে পারে।
ভুল করে খেয়ে ফেললে কী করণীয়?
যদি কখনও ভুল করে মেয়াদ পেরোনো ট্যাবলেট বা সিরাপ খেয়ে ফেলেন, তবে কী করা উচিত?
- এই অবস্থায় কোনও শারীরিক লক্ষণ ফুটে ওঠার জন্য একেবারেই অপেক্ষা করা ঠিক নয়।
- সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।
- ওষুধ খাওয়ার পর শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা অস্বস্তি বোধ করলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এক্সপায়ারি ডেট আর শেল্ফ লাইফ, এই দুটি বিষয় নিয়ে অনেকেরই ধারণা পরিষ্কার নয়। এক্সপায়ারি ডেট হল সেই নির্দিষ্ট সময়, যে তারিখ পর্যন্ত কোম্পানি ওষুধের সুরক্ষার গ্যারান্টি দেয়। অন্যদিকে, শেল্ফ লাইফ নির্ভর করে ওষুধটি কীভাবে রাখা হয়েছে তার ওপর। অনেক সময় ওষুধ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় না রাখলে বা ওষুধের সিল খোলার পর তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে, এবার থেকে ওষুধ খাওয়ার আগে তার মেয়াদের তারিখ দেখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
