পরকীয়া ধরার নতুন কায়দা ‘ডিভোর্স ডাস্ট’! অবিশ্বাসী সঙ্গীকে হাতে নাতে ধরুন এভাবে
নামটা গালভরা হলেও জিনিসটা খুব সাধারণ। এটি হল বডি গ্লিটার, শিমার স্প্রে বা চকচকে লোশন যা মেয়েরা সাজগোজের জন্য ব্যবহার করেন। এই গ্লিটারগুলো খুব হালকা হয় এবং সামান্য ছোঁয়া লাগলেই অন্য কারও শরীরে বা পোশাকে আটকে যায়। আর একবার আটকে গেলে তা ঝেড়ে ফেলা খুব কঠিন। বডি গ্লিটারের এই ধর্মকেই এখন কাজে লাগাচ্ছেন মহিলারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন একটা কথা খুব শোনা যাচ্ছে-‘বিবাহিত পুরুষরা গ্লিটারে খুব ভয় পান’। এই সামান্য মজা থেকেই শুরু হয়েছে এক অদ্ভুত ট্রেন্ড, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিভোর্স ডাস্ট’ (Divorce Dust)। তবে ভয় পাবেন না, এটি কোনও আলাদা রাসায়নিক পাউডার নয়, বরং মেকআপের সাধারণ গ্লিটার ব্যবহার করেই অবিশ্বাসী সঙ্গীদের হাতেনাতে ধরার এক ফন্দি।
আসলে ‘ডিভোর্স ডাস্ট’ কী?
নামটা গালভরা হলেও জিনিসটা খুব সাধারণ। এটি হল বডি গ্লিটার, শিমার স্প্রে বা চকচকে লোশন যা মেয়েরা সাজগোজের জন্য ব্যবহার করেন। এই গ্লিটারগুলো খুব হালকা হয় এবং সামান্য ছোঁয়া লাগলেই অন্য কারও শরীরে বা পোশাকে আটকে যায়। আর একবার আটকে গেলে তা ঝেড়ে ফেলা খুব কঠিন। বডি গ্লিটারের এই ধর্মকেই এখন কাজে লাগাচ্ছেন মহিলারা।
কীভাবে কাজ করে এই বুদ্ধি?
এই ট্রেন্ডের শুরু বছরখানেক আগে এক বিদেশি মহিলার হাত ধরে। তিনি জানান, কোনও পুরুষের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় যদি তাঁর মনে সন্দেহ হয় যে লোকটা বিবাহিত অথবা সম্পর্কে থেকে মিথ্যে বলছে, তবে তিনি শরীরে প্রচুর গ্লিটার মেখে যান। যদি ওই ব্যক্তি তাঁর ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন, তবে সেই চকচকে গুঁড়ো তাঁর জামাকাপড়ে লেগে যাবে। সেই ব্যক্তি যখন বাড়ি ফিরবেন, তখন তাঁর আসল স্ত্রী বা সঙ্গিনী ওই গ্লিটার দেখলেই বুঝে যাবেন যে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়!
সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন অনেক মেয়েই ডেটে যাওয়ার আগে কাঁধ বা গলার কাছে এই ‘ডিভোর্স ডাস্ট’ মেখে নিচ্ছেন। তাঁদের দাবি, এটি এক ধরনের ‘সত্য উদঘাটনকারী’ মেকআপ। যারা সঙ্গীর সঙ্গে বেইমানি করছে, তাদের ধরিয়ে দিতে এটি দারুণ কাজ দিচ্ছে।
কেন এই ট্রেন্ড এত ভাইরাল?
প্রথমত, মেকআপের এই গ্লিটার লাগালে দেখতে খুব সুন্দর লাগে। দ্বিতীয়ত, কোনও পুরুষই ভাবেন না যে মেকআপের আড়ালে এমন কোনও ফাঁদ থাকতে পারে। কয়েক দশক ধরেই মেয়েরা সাজতে গ্লিটার ব্যবহার করেন, তাই এতে সন্দেহের কোনও অবকাশ থাকে না।
সব মিলিয়ে, নিজেদের অজান্তেই প্রতারক পুরুষরা এখন ধরা পড়ে যাচ্ছেন এই ‘শিমার স্প্রে’র জালে। ডিজিটাল যুগে অবিশ্বাসী সঙ্গীদের মুখোশ খুলে দিতে এটিই এখন মহিলাদের নতুন হাতিয়ার।
