Belly fat in Indians: কেন ভারতীয়দেরই এত বেশি ভুঁড়ি থাকে?
Why Indians gain belly fat with age: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের মেটাবলিজমের হার ধীরগতিতে চলতে থাকে। এর ফলে শরীর আগের মতো সহজে ক্যালোরি বার্ন করতে পারে না। বেশিরভাগ মানুষ ২০ বছর বয়সে যে পরিমাণ খাবার খেতেন, ৪০ বছর বয়সেও ঠিক একই রকম ডায়েট থাকলেও আগের মতো শরীর আর ক্যালোরি খরচ করতে পারে না।

কলকাতা: বয়স বাড়লেই বাড়তে থাকে ওজন। আর আজকের গতিময় জীবনে একটা সময়ের পর থেকে শরীরের সঠিক যত্ন না নিলে সবটাই চলে যাচ্ছে হাতের বাইরে। শরীরে বাসা বাঁধছে একের পর এক ‘হাইপ্রোফাইল’ রোগ। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বয়স চল্লিশের গণ্ডি পেরিয়ে গেলেই ওজন কমানো রীতিমতো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আসলে স্বাস্থ্যের দিক থেকে দেখতে গেলে ৪০ বছর বয়সটা আমাদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায়। এই সময়ের পর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসতে শুরু করে, যার মধ্যে অন্যতম বড় সমস্যাই হলো এই ওজন বেড়ে যাওয়া। ২০ বা ৩০ বছর বয়সে ওজন কমানো যতটা সহজ মনে হয়, ৪০ পার হতেই তা যেন দুঃসাধ্য বোধ হয়।
কমতে থাকে মেটাবলিজমের গতি
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের মেটাবলিজমের হার ধীরগতিতে চলতে থাকে। এর ফলে শরীর আগের মতো সহজে ক্যালোরি বার্ন করতে পারে না। বেশিরভাগ মানুষ ২০ বছর বয়সে যে পরিমাণ খাবার খেতেন, ৪০ বছর বয়সেও ঠিক একই রকম ডায়েট থাকলেও আগের মতো শরীর আর ক্যালোরি খরচ করতে পারে না। উল্টে তা শরীরে চর্বি হিসাবে জমতে থাকে।
কেন হচ্ছে ভুঁড়ি?
অন্যদিকে এই বয়সের পর শরীর থেকে ধীরে ধীরে পেশীর ভর কমতে থাকে। ফলে শরীরের ক্যালোরি বার্ন করার ক্ষমতাও কমে যায়। বেশিরভাগ ভারতীয়দের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাত ও পায়ের পেশি দুর্বল হয়ে যায়। সমস্ত চর্বি গিয়ে পেটে জমা হয়। যাকে আমরা সাধারণ ‘ভুঁড়ি’ বলি।
হরমোনের ওঠানামা
আমাদের ওজনের উপর হরমোনেরও অনেক বড় প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে, এই বয়সে পেরিমেনোপজ (Perimenopause) এবং মেনোপজ (Menopause)-এর কারণে শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমতে শুরু করে। এই হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।
পাশাপাশি ৪০ পার করার পর অনেকেই অলস ভাব অনুভব করেন, বা আগের মতো শারীরিক পরিশ্রম করতে চান না। জিম বা ব্যায়াম তো দূরের কথা, অনেকে নিজের দৈনন্দিন ছোটখাটো কাজও অন্যকে দিয়ে করাতে পছন্দ করেন। বয়স ৫০-এর কোঠায় পৌঁছালে অনেকেই ভাবেন শরীরে আর আগের মতো জোর নেই, এই অজুহাতে হাঁটাচলা আরও কমিয়ে দেন। কিন্তু সারাদিন বসে বা শুয়ে থাকার কারণে ক্যালোরি বার্ন হওয়ার সুযোগ একেবারেই কমে যায়। ফলে তা আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
