Firhad Hakim on Taratala: ‘কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে কে শেড বানাচ্ছে তা তো জানা সম্ভব নয়’, তারাতলা নিয়ে বললেন ববি
Firhad Hakim: এখানে উল্লেখ্য, একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, বুধবার সকালেও অন্যান্য দিনের মতো কাজ চলছিল সেখানে। ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে লোহার বিম নড়ে। তারপরই কয়েকটা জায়গায় ভেঙে পড়ে। সে সময়ে কোনওভাবে শেডের নীচে ভিতরে ঢুকে আবার পুরোটা ঠিক করে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছিলেন কর্মীরা।

কলকাতা: কলকাতা পোর্ট বিধানসভা। সেখানকার বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। একটা সময় মেয়রও ছিলেন তিনি। বুধবার সেই বিধানসভা এলাকার তারাতলায় ঘটেছে ভয়াবহ বিপর্যয়। লোহার শেড গায়ে চাপা পড়ে মৃত্যু একাধিকের। আহত অনেক। তারপর থেকেই উঠছিল গুচ্ছ-গুচ্ছ প্রশ্ন। আর সেই উত্তর খুঁজতে টিভি ৯ বাংলা ফোন করেছিল ফিরহাদ হাকিমকে। তবে তাঁর কাছ থেকে একটাই উত্তর এল, তিনি কিছুই জানেন না। এর সঙ্গে আরও একটি উত্তর দিয়েছেন তিনি। সরকার উদ্ধার কাজ ভাল করছে।
কিন্তু ফিরহাদ যতই বলুন তিনি জানেন না, অথচ এই ধরনের প্ল্যানের অনুমতি দেয় পৌরনিগম। তারাতলার ক্ষেত্রেও কিন্তু সেই অন্যথা হয়নি। অথচ মেয়র কিছুই জানতেন না? যদিও, তিনি বলেছেন, এত সব কিছু তাঁর জানার কথা নয়।
এ দিন ফিরহাদ বলেন, “আমি জানতাম না কে বিল্ডিং করেছে। কে ঠিকা পেয়েছে, কী ঠিকাদার, কারা করে আমার কোনও আইডিয়া নেই। কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে কে শেড বানাচ্ছে তা তো জানা সম্ভব নয়। এই প্ল্যানের অনুমতি দেওয়া হয় পুরসভা থেকে। ইঞ্জিনিয়াররা এসে দেখেন যে কেমন ধরনের জিনিস ব্যবহার হচ্ছে। তবে, আমার কোনও আইডিয়া নেই এই নিয়ে। শুধু বলব উদ্ধারকাজ ভালো হচ্ছে। সরকার ভাল কাজ করছে।”
এখানে উল্লেখ্য, একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, বুধবার সকালেও অন্যান্য দিনের মতো কাজ চলছিল সেখানে। ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে লোহার বিম নড়ে। তারপরই কয়েকটা জায়গায় ভেঙে পড়ে। সে সময়ে কোনওভাবে শেডের নীচে ভিতরে ঢুকে আবার পুরোটা ঠিক করে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছিলেন কর্মীরা। তখনই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে গোটা টিনের শেড। আর তারপরই এই বিপর্যয়।
