WB Assembly: আসছে বড় বিল, একদিনের জন্য বসছে জরুরি অধিবেশন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে কাজ
Assembly Session: পূর্বে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিধানসভার চলতি বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব আগামী ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত চলার কথা। এরপর থাকবে বিরতি। তারপর দ্বিতীয় দফার মূল অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা আগামী ৭ জুলাই থেকে। প্রথমে স্থির ছিল যে ৬ জুলাই থেকে মূল অধিবেশন শুরু হবে।

কলকাতা: মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সাফ জানিয়েছিলেন, চলতি অধিবেশনের শেষ দিনেই তাঁর সরকার রাজ্যে একটি অত্যন্ত কঠোর ও সম্পূর্ণ নতুন বিল আনতে চলেছে। তবে সূত্রের খবর, অধিবেশনের (Assembly Session) শেষ দিনে এই বিল আনা সম্ভব হচ্ছে না। বিল পেশ করার জন্য একদিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে। বর্তমানে বাজেট অধিবেশন চলছে বিধানসভায়। এই অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর বিল পেশ করতে অধিবেশন ডাকা হবে বলে জানা গিয়েছে।
কোন বিল পেশ হবে বিধানসভায়
দুর্নীতি মোকাবিলায় এক নতুন বিল আনতে চলেছে বিজেপি সরকার। এই নতুন আইনের মূল লক্ষ্যই হবে – রাজ্যের যে কোনও স্তরের দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিক, নেতা বা ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা। বিধানসভা সূত্রে খবর, এই বিলটি পাস করানোর জন্য আগামী সোমবার (২৯ জুন) একদিনের জন্য বিধানসভার বিশেষ জরুরি অধিবেশন ডাকা হচ্ছে।
পূর্বে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিধানসভার চলতি বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব আগামী ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত চলার কথা। এরপর থাকবে বিরতি। তারপর দ্বিতীয় দফার মূল অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা আগামী ৭ জুলাই থেকে। প্রথমে স্থির ছিল যে ৬ জুলাই থেকে মূল অধিবেশন শুরু হবে। পরে স্থির হয়েছে ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে ছুটি থাকবে। তাই ৭ জুলাই থেকে বিধানসভার অধিবেশন শুরু হবে।
কাজ করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে দুর্নীতি-বিরোধী বিলটি আনার কথা ঘোষণা করেছেন, তার খসড়া বা ড্রাফটিং তৈরির কাজ (Framing) এই মুহূর্তে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে বলে সূত্রের খবর। পূর্ব নির্ধারিত ২৫ জুনের মধ্যে এই বিলের সম্পূর্ণ ড্রাফটিং-এর কাজ শেষ করা কার্যত অসম্ভব। সেই কারণেই ওই জরুরি অধিবেশন ডাকা হচ্ছে। কোনওরকম আইনি ফাঁকফোকর যাতে না থাকে, তার জন্য সবদিক খতিয়ে দেখছেন রাজ্যের আইন বিশেষজ্ঞরা।
মাঝের বিরতির সময়ে, আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৯ জুন একদিনের জন্য বিশেষ অধিবেশন ডেকে এই বিলটি হাউসে নিয়ে আসতে চাইছে রাজ্য সরকার। এই বিল পাশ হলে দুর্নীতি মোকাবিলায় সরকারে বিশেষ সুবিধা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
