AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Switchboard red light: রাতদিন জ্বলে সুইচবোর্ডের এই লাল আলো! বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে না তো?

Switchboard red indicator light: সুইচবোর্ডের (Switchboard) ছোট লাল আলোটি রাতদিন জ্বলতে দেখে অনেকেই ভাবেন মিছিমিছি কারেন্ট বিল বাড়ছে। আসলে এই ইন্ডিকেটর বা নির্দেশক বাতিটি কেবল বিদ্যুৎ প্রবাহের প্রমাণই দেয় না, ঘরের বৈদ্যুতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ও দুর্ঘটনা এড়াতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Switchboard red light: রাতদিন জ্বলে সুইচবোর্ডের এই লাল আলো! বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে না তো?
Image Credit: Getty Images
| Updated on: Jul 27, 2026 | 1:42 PM
Share

ঘরের সব আলো-পাখা বন্ধ, তাও সুইচবোর্ডের ওই ছোট্ট লাল আলোটি সারাদিন-সারারাত একনাগাড়ে জ্বলতেই থাকে! এই দৃশ্যের সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। আর এই আলোটি দেখলেই অনেকের মনে প্রথম প্রশ্ন জাগে, অহেতুক কারেন্ট খরচ হয়ে মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল বেড়ে যাচ্ছে না তো?

অনেকে আবার ভাবেন, এটি হয়তো কেবলই বোর্ডের শোভা বাড়ানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে এই খুদে বাতিটি কিন্তু মিছিমিছি জ্বলে না। আর এটি বিদ্যুতের বিল বাড়িয়ে দেয়, এমন ভাবনাও একেবারে ভুল।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোটিকে বলা হয় ‘ইন্ডিকেটর’ বা নির্দেশক বাতি। সোজা কথায়, বোর্ডে বা সকেটে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে কি না, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া-ই এর একমাত্র কাজ। পুরনো দিনের সুইচবোর্ডে মূলত নিয়ন ল্যাম্প ব্যবহার করা হতো, আর আধুনিক বোর্ডের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় দীর্ঘস্থায়ী ও নিরাপদ এলইডি (LED) ইন্ডিকেটর।

তবে সবথেকে স্বস্তির খবর হল, এই আলোটি টানা ২৪ ঘণ্টা জ্বললেও পকেটে খুব একটা টান পড়ে না। হিসাব অনুযায়ী, এই ছোট বাতিটি জ্বলতে মাত্র ০.২ থেকে ০.৫ ওয়াট বিদ্যুৎ লাগে। অর্থাৎ পুরো ৩৬৫ দিন টানা জ্বালিয়ে রাখলেও বছরে বড়জোর ১ থেকে ২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, যা মাসের বিলে প্রায় শূন্যের সমান।

এই আলো কী কী কাজে লাগে?

ইনভার্টার ও ভোল্টেজ বোঝা: যেসব বাড়িতে ইনভার্টার রয়েছে, সেখানে মূল পাওয়ার লাইন ও ইনভার্টারের জন্য আলাদা রঙের বাতি থাকে। আবার আলোর উজ্জ্বলতা দেখে ঘরের ভোল্টেজ স্বাভাবিক আছে কি না, তাও সহজে আঁচ করা যায়।

বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা: এসি, ফ্রিজ বা গিজারের মতো ভারী যন্ত্রপাতির ১৬-অ্যাম্পিয়ার সুইচবোর্ডে এই আলো থাকা বেশ জরুরি। প্লাগ খোলা বা মেরামতের আগে আলো দেখে বোঝা যায় যে সকেটে কারেন্ট রয়েছে। ফলে অসাবধানতাবশত ঘটে যাওয়া ইলেকট্রিক শকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ওয়্যারিংয়ের গলদ ধরা: মেইন লাইন অন থাকা সত্ত্বেও কোনো বোর্ডের লাল আলো হঠাৎ নিভে গেলে বুঝতে হবে সকেট বা ফিউজে কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর ফলে ঘরের ইলেকট্রিশিয়ান দ্রুত মূল গোলমালটি ধরে ফেলতে পারেন। তাই সামান্য লাল আলো ভেবে একে অবহেলা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। শর্ট সার্কিট ও দুর্ঘটনা থেকে পরিবারকে সুরক্ষা দিতে পারে এই ছোট্ট আলোই।

Follow Us