
আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ক্ষার জাতীয় ফল অর্থাৎ আপেল, চেরি, আনারস, অ্যাভোকাডো, কলা, আনারসের মধ্যে অন্তত কোনও একটি ফল ডায়েটে রাখুন। এগুলি শরীরে পিএইচ ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে

সারাবছর পাওয়া যায় এরকম ফলগুলির মধ্যে একটি হল, আপেল। এটা খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিকর। বিশেষত, রক্তাল্পতার সমস্যায় আপেল খুব উপকারী ফল

শিশু থেকে বয়স্ক, সকলেরই কম-বেশি আপেল খুব প্রিয়। রোগী হোক, বয়স্ক, শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক- সকলের জন্যই আপেল উপকারী। শিশুদের আবার আপেল সেদ্ধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা

অফিসে বেশি ফল নিয়ে যাওয়া সমস্যা। তাই একটি বা দুটি আপেল নিয়ে যেতে পারেন। এতে ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম এবং অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ফলে আপেল দুপুরের ক্ষিধে মেটানোর পাশাপাশি শরীরে পুষ্টির জোগান দেয়

বর্তমানে ছোট থেকে বড়, কম-বেশি সকলেই দেহের ওজন নিয়ে উদ্বিগ্ন। দেহের অতিরিক্ত ওজন কেবল দৃষ্টিকটূ লাগে না, বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও বাড়ায় অতিরিক্ত মেদ

আপেলের খোসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে খোসা সমেত আপেল খেলে দেহের পুষ্টি জোগানের পাশাপাশি সংক্রামক রোগও দূরে থাকে

আপেলের খোসায় প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এছাড়া আপেলের ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এটা খুব উপকারী। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে আপেলের খোসা

অফিসের টিফিনে আপেল রাখা খুবই উপকারী। তবে কেউ ভাত বা রুটির মতো টিফিনের সঙ্গে আপেল নিয়ে দুটি খাবার খাওয়ার মাঝে কিছুটা বিরতি রাখুন। ভারী খাবারের সঙ্গে বা তার আগে আপেল খাওয়া এড়ানো উচিত