যে কোনও বাদাম, শুকনো ফল ভিজিয়ে খেলে সবচেয়ে ভাল উপকার মেলে। কিন্তু কীসে ভেজাবেন জানেন? দুধে নাকি জলে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
আখরোট, আমন্ড, কিশমিশের মতো ড্রাই ফ্রুটস শুকনো খাওয়ার চেয়ে ভিজিয়ে খাওয়া ভাল। এতে শুকনো ফল ও বাদাম নরম হয়ে যায়। এর খোসাগুলো সহজেই ছাড়ানো যায়।
ভেজানো বাদাম ও শুকনো ফল হজম স্বাস্থ্য উন্নত করে। দাঁতের সমস্যা থাকলে চিবিয়ে খেতেও সুবিধা হয়। তাছাড়া এতে ওই বাদাম ও শুকনো ফলের পুষ্টিগুণও বেড়ে যায়।
বেশিরভাগ বাদাম ও শুকনো ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ভেজানো অবস্থায় খেলে শরীরে পুষ্টি শোষণেও সুবিধা হয়।
বেশিরভাগ মানুষ জলে ভিজিয়ে আমন্ড, কিশমিশ খান। যাঁরা ওজন কমাচ্ছেন তাঁরা জলে ভিজিয়েই বাদাম ও শুকনো ফল খেতে পারেন। এতে দেহে বেশি ক্যালোরি প্রবেশ করে না।
দুধে ক্যালশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন ডি-এর মতো বিভিন্ন পুষ্টি রয়েছে। দুধে বাদাম ও শুকনো ফল মেশালে দুটো খাবারের পুষ্টি একসঙ্গে মিশে যায়। অর্থাৎ, দুধে ভেজানো বাদামের পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়।
দুধে বাদাম ও শুকনো ফল ভিজিয়ে না খেলেও কোনও ক্ষতি নেই। দুধের সঙ্গে আমন্ড, আখরোটের মতো বাদাম পেস্ট করে নিন। কিংবা যে কোনও স্মুদিতে দুধ ও ড্রাই ফ্রুটস দুটো মিশিয়েই খেতে পারেন। এতেও উপকার মিলবে।
যাঁরা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট, তাঁদের দুধে ভিজিয়ে বাদাম ও শুকনো ফল খাওয়া চলবে না। এতে কিন্তু পেটের সমস্যা বাড়বে। আবার ড্রাই ফ্রুটসেরও কোনও উপকার পাবেন না। তাঁরা জলে ভিজিয়েই ড্রাই ফ্রুটস খান।