AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Reheating tea: চা বারবার গরম করেন! জানেন এতে কী হয়?

Health risks of reheated tea: এক কাপ ঠান্ডা চা আবার গরম করে খাওয়ার অভ্যাস প্রায় সবারই রয়েছে। কিন্তু এই সামান্য ভুলের জন্য আপনার শরীরে কী মারাত্মক প্রভাব পড়ছে, তা জানলে আপনিও চমকে উঠবেন। কী বলছে গবেষণা?

| Updated on: Sep 18, 2026 | 11:24 AM
Share
বাঙালির সকাল থেকে সন্ধ্যা, আড্ডা হোক বা কাজের ফাঁক, এক কাপ চা ছাড়া প্রায় অচল। কিন্তু অনেক সময়ই চা ঠান্ডা হয়ে গেলে আমরা তা ফের গরম করে খাই। আপাতদৃষ্টিতে এই কাজটিকে খুব সাধারণ মনে হলেও, বিজ্ঞান বলছে এর ফল হতে পারে মারাত্মক।

বাঙালির সকাল থেকে সন্ধ্যা, আড্ডা হোক বা কাজের ফাঁক, এক কাপ চা ছাড়া প্রায় অচল। কিন্তু অনেক সময়ই চা ঠান্ডা হয়ে গেলে আমরা তা ফের গরম করে খাই। আপাতদৃষ্টিতে এই কাজটিকে খুব সাধারণ মনে হলেও, বিজ্ঞান বলছে এর ফল হতে পারে মারাত্মক।

1 / 8
চা পাতার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যাটেচিন, পলিফেনল এবং বিভিন্ন উপকারী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু একবার তৈরি করা চা ঠান্ডা হওয়ার পর পুনরায় গরম করলে তার ভেতরের সমস্ত পুষ্টিগুণ একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। তখন সেই চা পান করা আর শুধুই গরম জল খাওয়ার মধ্যে কোনও পার্থক্য থাকে না।

চা পাতার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যাটেচিন, পলিফেনল এবং বিভিন্ন উপকারী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু একবার তৈরি করা চা ঠান্ডা হওয়ার পর পুনরায় গরম করলে তার ভেতরের সমস্ত পুষ্টিগুণ একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। তখন সেই চা পান করা আর শুধুই গরম জল খাওয়ার মধ্যে কোনও পার্থক্য থাকে না।

2 / 8
চায়ে প্রাকৃতিকভাবেই ট্যানিন নামক একটি উপাদান থাকে যা পরিমিত মাত্রায় শরীরের জন্য ঠিক। তবে ঠান্ডা চা পুনরায় ফোটালে এই ট্যানিন অতিরিক্ত মাত্রায় নির্গত হয় এবং চায়ের স্বাদকে তেতো করে তোলে। এই অতিরিক্ত ট্যানিন সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে তীব্র অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালা এবং বদহজমের সৃষ্টি করে।

চায়ে প্রাকৃতিকভাবেই ট্যানিন নামক একটি উপাদান থাকে যা পরিমিত মাত্রায় শরীরের জন্য ঠিক। তবে ঠান্ডা চা পুনরায় ফোটালে এই ট্যানিন অতিরিক্ত মাত্রায় নির্গত হয় এবং চায়ের স্বাদকে তেতো করে তোলে। এই অতিরিক্ত ট্যানিন সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে তীব্র অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালা এবং বদহজমের সৃষ্টি করে।

3 / 8
চা তৈরি করে দীর্ঘক্ষণ ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফেলে রাখলে তাতে খুব দ্রুত বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে। বিশেষ করে সেই চায়ে যদি দুধ ও চিনি মেশানো থাকে, তবে তা ব্যাকটেরিয়ার জন্য আদর্শ প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই অবস্থায় চা গরম করলেও সব জীবাণু মরে না এবং পেটের মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

চা তৈরি করে দীর্ঘক্ষণ ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফেলে রাখলে তাতে খুব দ্রুত বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে। বিশেষ করে সেই চায়ে যদি দুধ ও চিনি মেশানো থাকে, তবে তা ব্যাকটেরিয়ার জন্য আদর্শ প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই অবস্থায় চা গরম করলেও সব জীবাণু মরে না এবং পেটের মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

4 / 8
ঠান্ডা চা পুনরায় গরম করার সময় ব্যাকটেরিয়াগুলো হয়তো মরে যায়, কিন্তু তাদের তৈরি করা ক্ষতিকর টক্সিনগুলো তরলের মধ্যেই থেকে যায়। এই বিষাক্ত উপাদানগুলো সরাসরি আমাদের পাচনতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। নিয়মিত এমন চা খেলে ডায়রিয়া, বমি ভাব বা ফুড পয়জনিং হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

ঠান্ডা চা পুনরায় গরম করার সময় ব্যাকটেরিয়াগুলো হয়তো মরে যায়, কিন্তু তাদের তৈরি করা ক্ষতিকর টক্সিনগুলো তরলের মধ্যেই থেকে যায়। এই বিষাক্ত উপাদানগুলো সরাসরি আমাদের পাচনতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। নিয়মিত এমন চা খেলে ডায়রিয়া, বমি ভাব বা ফুড পয়জনিং হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

5 / 8
একটি ভালো মানের চায়ের আসল পরিচয় লুকিয়ে থাকে তার সুন্দর গন্ধ এবং নিজস্ব স্বাদের মধ্যে। চায়ের মধ্যে থাকা এসেনশিয়াল অয়েল বা উদ্বায়ী তেলগুলো এই সুগন্ধ তৈরি করে যা মনকে সতেজ রাখে। কিন্তু চা বারবার তাপে ফোটালে সেই তেল পুরোপুরি উবে যায় এবং চা তার স্বাভাবিক স্বাদ ও গন্ধ চিরতরে হারিয়ে ফেলে।

একটি ভালো মানের চায়ের আসল পরিচয় লুকিয়ে থাকে তার সুন্দর গন্ধ এবং নিজস্ব স্বাদের মধ্যে। চায়ের মধ্যে থাকা এসেনশিয়াল অয়েল বা উদ্বায়ী তেলগুলো এই সুগন্ধ তৈরি করে যা মনকে সতেজ রাখে। কিন্তু চা বারবার তাপে ফোটালে সেই তেল পুরোপুরি উবে যায় এবং চা তার স্বাভাবিক স্বাদ ও গন্ধ চিরতরে হারিয়ে ফেলে।

6 / 8
লিকার চায়ের তুলনায় দুধ চা বারবার গরম করে খাওয়া শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দুধের প্রোটিন এবং চায়ের রাসায়নিক উপাদান বারবার তাপে বিক্রিয়া করে শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি করতে পারে। তাই দুধ চা একবার ঠান্ডা হয়ে গেলে তা কোনোভাবেই আর পান করা উচিত নয়।

লিকার চায়ের তুলনায় দুধ চা বারবার গরম করে খাওয়া শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দুধের প্রোটিন এবং চায়ের রাসায়নিক উপাদান বারবার তাপে বিক্রিয়া করে শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি করতে পারে। তাই দুধ চা একবার ঠান্ডা হয়ে গেলে তা কোনোভাবেই আর পান করা উচিত নয়।

7 / 8
চিকিৎসকদের মতে, চা বানানোর পর তা সর্বোচ্চ পনেরো থেকে কুড়ি মিনিটের মধ্যেই পান করে নেওয়া উচিত। চা ঠান্ডা হয়ে গেলে তা ফেলে দিয়ে নতুন করে তাজা চা বানিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সামান্য একটু আলসেমি বা কৃপণতার জন্য নিজের শরীরের এত বড় ক্ষতি কখনোই করা উচিত নয়।

চিকিৎসকদের মতে, চা বানানোর পর তা সর্বোচ্চ পনেরো থেকে কুড়ি মিনিটের মধ্যেই পান করে নেওয়া উচিত। চা ঠান্ডা হয়ে গেলে তা ফেলে দিয়ে নতুন করে তাজা চা বানিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সামান্য একটু আলসেমি বা কৃপণতার জন্য নিজের শরীরের এত বড় ক্ষতি কখনোই করা উচিত নয়।

8 / 8
Follow Us