AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

AC health risks: এসি ঘরে থাকলে কি কিডনিতে পাথর হয়?

Kidney stones causes: এয়ার কন্ডিশনার (Air Conditioner) বা এসি ছাড়া এখন গরমে এক মুহূর্তও টেকা দায়। সারাদিন এসির ঠান্ডায় বসে থাকলে কি কিডনিতে পাথর হতে পারে? চিকিৎসা বিজ্ঞান কী বলছে, জেনে নিন আসল সত্যিটা। কী বলছে গবেষণা?

AC health risks: এসি ঘরে থাকলে কি কিডনিতে পাথর হয়?
কী বলছে গবেষণা?Image Credit: Edited in meta
| Updated on: Sep 21, 2026 | 11:05 AM
Share

এয়ার কন্ডিশনার (Air Conditioner) বা এসি ছাড়া এখন গরমে এক মুহূর্তও টেকা দায়। অফিস, গাড়ি কিংবা শোওয়ার ঘর, চারপাশটা ঠান্ডা না হলে অনেকেই স্বস্তি পাননা। কিন্তু সম্প্রতি একটি প্রশ্ন অনেকেরই রাতের ঘুম কেড়েছে। সারাদিন এসির কনকনে ঠান্ডায় বসে থাকলে কি সত্যিই কিডনিতে পাথর হতে পারে? সোশাল মিডিয়ায় এই নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। কী বলছে গবেষণা?

এসির হাওয়া কি সরাসরি কোনও ক্ষতি করে?

চিকিৎসকরা কিন্তু অন্য কথা বলছেন। এসির ঠান্ডা বাতাস সরাসরি আপনার শরীরে ঢুকে কিডনিতে পাথর তৈরি করে না। তাহলে ভয়টা কোথায়? ভয়টা লুকিয়ে আছে প্রতিদিনের অভ্যাসের মধ্যে। এসির মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে জীবনযাত্রায় এমন কিছু বদল আসে, যা পরোক্ষভাবে কিডনি পাথরের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

আসল কালপ্রিট কে?

এসির কৃত্রিম ঠান্ডায় বসে থাকলে শরীর থেকে একদমই ঘাম বেরোয় না। আর ঘাম না হওয়ার কারণে আমাদের স্বাভাবিক জল তেষ্টাও পায় না। কাজের চাপে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক ফোঁটাও জল না খেয়ে কাটিয়ে দেন। শরীরের এই জলের অভাব বা ডিহাইড্রেশনই হল কিডনিতে পাথর জমার সবচেয়ে বড় কারণ।

কীভাবে তৈরি হয় এই পাথর?

পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার ফলে শরীরের স্বাভাবিক প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়। মায়ো ক্লিনিক (Mayo Clinic) এবং হার্ভার্ড হেলথের মতো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের গবেষণাতেও দেখা গিয়েছে, প্রস্রাবে থাকা ক্যালসিয়াম, অক্সালেট এবং ফসফরাসের মতো খনিজ উপাদানগুলি জলের অভাবে শরীর থেকে ঠিকমতো বেরোতে পারে না। সেগুলিই ধীরে ধীরে কিডনির ভিতরে জমাট বেঁধে পাথরের আকার নেয়। এছাড়া একটানা ঠান্ডায় বসে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়াতেও চাপ পড়ে।

বাঁচার উপায় কী?

জল খাওয়া ভোলা যাবে না: তেষ্টা না পেলেও নিয়ম করে জল খাওয়ার কথা কখনও ভুলবেন না। দিনে অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার জল খাওয়া মাস্ট। সুবিধার জন্য কাজের টেবিলে সব সময় জলের বোতল রাখুন।

তাপমাত্রা ঠিক রাখুন: এসির তাপমাত্রা ১৬ বা ১৮-তে না নামিয়ে ২৫ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখুন। এতে শরীর আরামও পাবে, আবার বেশি ঠান্ডায় শুকিয়েও যাবে না।

মাঝে মাঝে বিরতি নিন: সারাদিন এসির মধ্যে আটকে না থেকে, মাঝে মাঝে সাধারণ তাপমাত্রায় হেঁটে আসুন। বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া শরীরের জন্য খুব জরুরি।

খাবারে নজর দিন: রোজকার খাবারে নুনের পরিমাণ কমান। বেশি করে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খান।

বিশেষজ্ঞদের মতে এসি কিন্তু শত্রু নয়। এসির পরিবেশে বসে ভুল অভ্যাস আর জল না খাওয়ার প্রবণতাই হল আসল ভিলেন। তাই গরমে এসির আরাম নিশ্চিন্তে নিন, শুধু নিজের শরীরকে সতেজ রাখতে ভুলবেন না।

Follow Us