AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ঠাকুরের আসন ঠিক কোন দিকে রাখলে সংসারে সুখের বন্যা বইবে? জেনে নিন বাস্তুশাস্ত্র কী বলছে

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়িতে মন্দির যদি ভুল দিক, ভুল স্থান বা ভুল উপায়ে স্থাপন করা হয়, তবে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে পারিবারিক সুখ ও মানসিক শান্তির ওপর। অনেক সময় অজান্তেই করা ছোট ছোট ভুল পরিবারে অশান্তি ও নেতিবাচকতা নিয়ে আসে। তাই সুখ-সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ঠাকুরঘর স্থাপনের ক্ষেত্রে বাস্তুর নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত আবশ্যক।

ঠাকুরের আসন ঠিক কোন দিকে রাখলে সংসারে সুখের বন্যা বইবে? জেনে নিন বাস্তুশাস্ত্র কী বলছে
| Updated on: Jan 05, 2026 | 3:47 PM
Share

হিন্দু সংস্কৃতিতে ঠাকুরঘর কেবল উপাসনার স্থান নয়; এটি ইতিবাচক শক্তি, মানসিক শান্তি এবং ঈশ্বরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের একটি পবিত্র কেন্দ্র। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়িতে মন্দির যদি ভুল দিক, ভুল স্থান বা ভুল উপায়ে স্থাপন করা হয়, তবে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে পারিবারিক সুখ ও মানসিক শান্তির ওপর। অনেক সময় অজান্তেই করা ছোট ছোট ভুল পরিবারে অশান্তি ও নেতিবাচকতা নিয়ে আসে। তাই সুখ-সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ঠাকুরঘর স্থাপনের ক্ষেত্রে বাস্তুর নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত আবশ্যক।

মন্দিরের জন্য সবচেয়ে শুভ দিক কোনটি?

বাস্তুশাস্ত্রে ঈশান কোণকে (উত্তর-পূর্ব দিক) দেবতাদের স্থান হিসেবে গণ্য করা হয়। বাড়ির ঠাকুরঘর বা মন্দির সবসময় এই দিকে হওয়া সবচেয়ে শ্রেয়। এই দিকে মন্দির থাকলে বাড়িতে সুখ-শান্তি বজায় থাকে এবং পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়। কোনো কারণে উত্তর-পূর্ব দিকে জায়গা না থাকলে বিকল্প হিসেবে উত্তর বা পূর্ব দিক বেছে নেওয়া যেতে পারে।

যেখানে মন্দির রাখা অশুভ: শোওয়ার ঘর: বেডরুম বা শোওয়ার ঘরে মন্দির রাখা দাম্পত্য কলহ বা মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। তবে জায়গার অভাবে যদি সেখানেই মন্দির রাখতে হয়, তবে রাতে ঘুমানোর সময় মন্দিরের সামনে অবশ্যই পর্দা টেনে দেওয়া উচিত।

রান্নাঘর: রান্নাঘরের সিঙ্ক (কল) কিংবা উনুন বা চুলার ঠিক ওপরে বা নিচে মন্দির স্থাপন করা বাস্তুসম্মত নয়।

সিঁড়ির নিচে: সিঁড়ির নিচের ফাঁকা জায়গায় মন্দির তৈরি করলে তা পরিবারের উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

শৌচাগারের পাশে: বাথরুমের দেওয়ালে বা তার ঠিক পাশে, ওপরে বা নিচে মন্দির থাকা অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়।

প্রতিমা রাখার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা: খণ্ডিত মূর্তি: ঠাকুরঘরে কখনওই ভাঙা বা খণ্ডিত মূর্তি রাখা উচিত নয়। এতে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বাড়ে।

মূর্তির সংখ্যা: একই দেবতার একাধিক মূর্তি রাখা থেকে বিরত থাকুন। পাশাপাশি, প্রতিমা বা ছবিগুলোর মুখ যেন একে অপরের মুখোমুখি না থাকে।

রুদ্র রূপ: বাড়িতে শান্ত ও আশীর্বাদদানকারী মূর্তির পূজা করা উচিত। দেব-দেবীর ক্রোধিত বা উগ্র রূপের ছবি বা মূর্তি রাখা বাস্তুমতে নিষিদ্ধ।

পূর্বপুরুষের ছবি ও মন্দির: অনেকেই মন্দিরের ভেতরে পূর্বপুরুষদের ছবি রাখেন, যা বাস্তু মতে ভুল। পূর্বপুরুষরা শ্রদ্ধেয় হলেও তাদের স্থান দেবতাদের সাথে একাসনে হওয়া উচিত নয়। পূর্বপুরুষের ছবি বাড়ির দক্ষিণ দিকের দেওয়ালে রাখা যেতে পারে।

উপাসনার সময় কোন দিকে মুখ করবেন? পূজা করার সময় ব্যক্তির মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে থাকা শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয়। বাস্তু মতে, পূর্ব দিক জ্ঞান এবং উত্তর দিক ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক।