আপনার জন্মও কী এই তারিখে? তাহলে ৪০ বছর পর আপনার ‘সাফল্য’ কেউ আটকাতে পারবে না!
মাসের ৫, ১৪ বা ২৩ তারিখে যাঁদের জন্ম, তাঁদের শাসক গ্রহ হল বুধ। বুধ মানেই প্রখর বুদ্ধি আর তুখোড় ব্যবসায়িক জ্ঞান। এই মুলাঙ্কের জাতকরা জিরো থেকে হিরো হওয়ার ক্ষমতা রাখেন। খুব সামান্য পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করে একটা আস্ত সাম্রাজ্য খাড়া করে ফেলা এদের কাছে স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

ভাগ্যিস মানুষ নিজের জন্মতারিখটা নিজে ঠিক করতে পারে না! কেন জানেন? কারণ জ্যোতিষশাস্ত্রে সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজির যে হিসেব রয়েছে, তা শুনলে চমকে যাবেন। আমরা অনেকেই মনে করি ২০ বা ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই কেরিয়ারে যা করার করে ফেলতে হবে। কিন্তু সংখ্যাতত্ত্ব বলছে অন্য কথা। এমন কিছু বিশেষ তারিখ আছে, যাঁদের আসল রাজযোগ শুরুই হয় ৪০ বছর বয়সের পর। তাঁদের জীবনের ডিকশনারিতে ‘সাফল্য’ শব্দটা একটু দেরিতে এলেও, যখন আসে তখন তা রথ দেখা আর কলা বেচার মতো সব দিক সামলে দেয়। সূর্য, বুধ আর শুক্র—এই তিন গ্রহের আশীর্বাদ যাঁদের ওপর থাকে, তাঁদের সাফল্যের পথে কেউ বাধা হতে পারে না।
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী যাঁদের জন্ম মাসের ১, ১০, ১৯ অথবা ২৮ তারিখে, সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী তাঁদের মুলাঙ্ক হল ১। আর এই সংখ্যার অধিপতি স্বয়ং সূর্য। গ্রহরাজ সূর্যের প্রভাবে এই জাতকদের ব্যক্তিত্বে এক অদ্ভুত তেজ থাকে। এঁরা জন্মগতভাবেই নেতা। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে এঁদের ভাগ্য তুঙ্গে থাকে। দেখা গিয়েছে, এই জাতকরা জীবনের প্রথম ভাগে অনেকটা লড়াই করলেও ৪০ বছর বয়সের গণ্ডি পেরোতেই কোনও বড় প্রশাসনিক পদ বা রাজনীতির শীর্ষস্থানে পৌঁছে যান। এমনকি জীবনের শেষ পর্বেও এঁদের হাতে সরকারি ক্ষমতার চাবিকাঠি চলে আসে। সূর্য এঁদের শুধু সম্মান নয়, সামাজিক প্রতিপত্তিও দেয় দু-হাত ভরে।
মাসের ৫, ১৪ বা ২৩ তারিখে যাঁদের জন্ম, তাঁদের শাসক গ্রহ হল বুধ। বুধ মানেই প্রখর বুদ্ধি আর তুখোড় ব্যবসায়িক জ্ঞান। এই মুলাঙ্কের জাতকরা জিরো থেকে হিরো হওয়ার ক্ষমতা রাখেন। খুব সামান্য পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করে একটা আস্ত সাম্রাজ্য খাড়া করে ফেলা এদের কাছে স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এদের ব্যবসার হাত এতটাই লম্বা যে তা বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। ৪০ বছর বয়সের পর এই জাতকদের ব্যবসায়িক বুদ্ধি এক আলাদা স্তরে পৌঁছে যায়, যা তাঁদের কোটিপতি হওয়ার পথে এগিয়ে দেয় বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদরা।
আপনার জন্ম কি কোনও মাসের ৬, ১৫ বা ২৪ তারিখে? তাহলে আপনার ওপর রয়েছে প্রেমের দেবতা তথা ঐশ্বর্যের কারক শুক্রের অসীম কৃপা। ৬ মুলাঙ্কের জাতকরা জন্ম থেকেই একটু শৌখিন আর বিলাসপ্রিয় হন। দামী গাড়ি, সুন্দর বাড়ি আর এলাহি জীবন কাটানোর প্রবল ইচ্ছা থাকে এদের মধ্যে। এঁরা পরিশ্রম করতেও পিছপা হন না। তাই জন্ম দরিদ্র পরিবারে হলেও, নিজের চেষ্টায় এরা ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দেন। সাধারণত ৩৫ থেকে ৪০ বছরের পরেই এদের জীবনে শুক্রের শুভ প্রভাব সবথেকে বেশি কাজ করে। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড, ফ্যাশন বা মিডিয়া জগতে এরা আকাশছোঁয়া সাফল্য পান।
