
সেঞ্চুরিয়নে সেঞ্চুরিয়ন। যদিও তিলক ভার্মার অনবদ্য সেঞ্চুরির ইনিংসেও জয়ের জন্য শেষ ওভার অবধি অপেক্ষা করতে হয়েছে ভারতকে। বোর্ডে ২২০ রানের বিশাল টার্গেট থাকলেও মরিয়া লড়াই চালায় প্রোটিয়া ব্যাটাররা। বিশেষ করে বলতে হয় হেনরিখ ক্লাসেন ও মার্কো জানসেনের কথা। সেঞ্চুরিতেই কাজ শেষ হয়নি তিলকের। ফিল্ডিংয়েও দুর্দান্ত তিলক। তবে গুরুতর চোটও পেতে পারতেন। বাউন্ডারি লাইনে অক্ষরের মতো দুর্দান্ত একটা ক্যাচ হতে পারত। সঠিক সময়ে লাফিয়েও ছিলেন। অল্পের জন্য ক্যাচ হয়নি। তবে তাঁর ল্যান্ডিং চিন্তা বাড়িয়েছিল ভারতীয় শিবিরে। চোট গুরুতর নয়। সেঞ্চুরি, দলের জয়, ম্যাচের সেরা। কী বলছেন তিলক?
ক্যাচ ‘মিস’ প্রসঙ্গে তিলক বলেন, ‘আমি সুস্থ আছি। লাইটের জন্য ক্যাচটা আমার কাছে কিছুটা টাফ ছিল। তবে জিততে পেরেছি। এটাই শেষ কথা।’ ব্যাটিং অর্ডারে প্রোমোশন। কেরিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। ম্যাচের সেরা তিলক বলছেন, ‘আমি এটা কল্পনাও করিনি। ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। সেঞ্চুরি আমার কাছে স্বপ্নের মতো। সঠিক সময়ে টিমের জন্য অবদান রাখতে পেরেছি। এটা সিরিজের অন্যতম নির্ণায়ক ম্যাচ ছিল। চাপের মুখে ভালো একটা ইনিংস খেলতে পেরেছি।’
তিলক অবশ্য যাবতীয় কৃতিত্ব দিচ্ছেন ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদবকে। বলেন, ‘আমার সুন্দর ইনিংসটার জন্য ক্যাপ্টেন মিস্টার সূর্যকুমার যাদবকে ধন্যবাদ। ম্যাচের আগেই বলেছিল, তিন নম্বরে তুমি কার্যকর হতে পারো। সুতরাং, ওকে আরও একবার ধন্যবাদ। আমি খুবই খুশি, এই সুযোগটা দেওয়ার জন্য। মাঠে নেমে স্বভাবসিদ্ধ খেলা খেলতে চেয়েছিলাম। চাপের মুখেও বেসিক থেকে সরে যাইনি।’