Bangladesh Cricket : মুস্তাফিজুর অতীত, সিরিজ খেলতে চেয়ে ভারতকে চিঠি পাঠাল বাংলাদেশ!
IndvsBan : ২০২৬ আইপিএলের মিনি নিলামে কেকেআর কিনেছিল মুস্তাফিজুর রহমানকে। সেই সময়েই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় বিসিসিআইয়ের নির্দেশে কেকেআর ছেড়ে দেয় মুস্তাফিজুরকে। এর ফলে বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকার করে।

কলকাতা : দুইমাসে বদলে যায় কত সমীকরণ ! মাত্র দুই মাস আগেই মুস্তাফিজুরকে কেকেআর বাদ দেওয়ায় ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। নিরাপত্তা জনিত কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বদলে সুযোগ পেয়েছিল স্কটল্যান্ড। এবার নতুন সরকারের আগমনের পর শোনা গিয়েছে, ভারতের সঙ্গে সিরিজ খেলতে উদ্যোগী হয়েছে বাংলাদেশের বোর্ড।
নতুন সরকার আসার পরেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা ভারতের সঙ্গে সর্বপ্রকার কূটনৈতিক সম্পর্ক ঠিক করতে চায়। তাই সেপ্টেম্বরে যাতে ভারত বাংলাদেশে সাদা বলের সিরিজ খেলে, এই বিষয়ে বিসিসিআই-কে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশী বোর্ড বা বিসিবি। একটি বাংলাদেশী সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ওডিআই বা টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে চেয়ে বাংলাদেশের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে ভারতকে। কিন্তু দুই দেশের কেউই এই চিঠির বিষয়কে সরকারি ভাবে স্বীকার করেনি। ভারতীয় বোর্ডের এক কর্তার মতে, এই বিষয়ে শেষ কথা বলবে ভারতীয় সরকারই।
সরকারের থেকে এখনও কোনও নির্দেশ না আসায় বিষয়টি সম্বন্ধে কোনও খবর পাওয়া যায়নি। গত বছর বাংলাদেশে গিয়ে ভারতের সিরিজ খেলার কথা থাকলেও নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জনিত কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। সেই সিরিজ হবে এই বছরে। আবার, আগামী বছর এশিয়া কাপ হবে বাংলাদেশে সুতরাং তার আগে ভারতকে সেই দেশে নিয়ে গিয়ে সিরিজ খেলানো জরুরি কারণ ভারত না গেলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ। তাই তারা চায় যেন তেন প্রকারেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশে একটি সিরিজ খেলতে।
২০২৬ আইপিএলের মিনি নিলামে কেকেআর কিনেছিল মুস্তাফিজুর রহমানকে। সেই সময়েই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় বিসিসিআইয়ের নির্দেশে কেকেআর ছেড়ে দেয় মুস্তাফিজুরকে। এর ফলে বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকার করে। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বকাপ খেললেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার। যদিও পাকিস্তান পরে ম্যাচ খেলে কিন্তু বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই তাদের ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে উদ্যোগী হতে দেখা গিয়েছে। এই ঘটনা নিঃসন্দেহে একটি বড় দিক ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ঠিক করার জন্য।
