
প্রথম ইনিংসে ভারতের ভরাডুবিতে সর্বাধিক স্কোর ছিল ঋষভ পন্থের। ৪৬ রানে অলআউট হয়েছিল টিম। এর মধ্যে ২০ রান ঋষভ পন্থের। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের শেষে হঠাৎই অস্বস্তি তৈরি হয়। নিউজিল্যান্ড ইনিংস চলছিল। স্ট্রাইকে ডেভন কনওয়ে। কিপিংয়ে ঋষভ পন্থ। রবীন্দ্র জাডেজার একটি ডেলিভারি অফ স্টাম্পের বাইরে থেকে শার্প টার্ন নেয়। অল্পের জন্য অফ স্টাম্প মিস করলেও ঋষভ পন্থের হাঁটুতে লাগে। পুরনো জায়গায় নতুন চোট। হাঁটু ফুলেও গিয়েছিল।
ফিজিও প্রাথমিক শুশ্রুষা করলেও দাঁড়ানোর মতো পরিস্থিতিতে ছিলেন না পন্থ। তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়। দু-জনের কাঁধে হাত রেখে খোঁড়াতে মাঠ ছেড়েছিলেন। দিনের খেলা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মাও জানান, যেখানে অস্ত্রোপচার হয়েছিল, সেই পুরনো জায়গাতেই চোট লেগেছে, হাঁটু ফুলেও গিয়েছে। টিম কিংবা ঋষভ পন্থ ঝুঁকি নিতে চাননি বলেই মাঠ ছাড়েন। ধ্রুব জুরেল কিপিং করেন। রোহিত আশা প্রকাশ করেছিলেন, এক রাতের বিশ্রামেই ঠিক হয়ে যাবে। তবে তৃতীয় দিন সকালে আরও অস্বস্তি। বোর্ডের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ঋষভ পন্থের জায়গায় কিপিং করবেন ধ্রুব জুরেলই।
স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছিল ঋষভ পন্থ কি ব্যাট হাতে নামতে পারবেন? টিমের তরফে এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে মাঠে ঋষভ পন্থকে নকিং করতে দেখে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। তৃতীয় দিনের শেষ ডেলিভারিতে আউট হয়ে ফেরেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে রয়েছেন সরফরাজ খান। চতুর্থ দিন সকালে ঋষভ পন্থেরই নামার কথা। একান্তই না হলে লোকেশ রাহুলকে নামানো হবে।
পন্থকে নকিংয়ে সাবলীলই দেখিয়েছে। সে কারণেই মনে করা হচ্ছে, পন্থ ব্যাট হাতে নামতেই পারেন। কিন্তু তাঁর ব্যাটিং পজিশন এখনই নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। আর ব্যাট হাতে নামলেও হয়তো সিঙ্গল-ডাবলের চেয়ে বাউন্ডারি মারার দিকেই মনসংযোগে দেখা যেতে পারে পন্থকে।