বড়লোকের বখাটে ছেলে…ভারতকে কটাক্ষ শোয়েবের !
শোয়েবের মতে, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে বিপক্ষ কোনও চেষ্টাই করেনি। তাঁর কথায়,"ভারত রান তাড়া করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছে এটা দেখেও বিপক্ষ দল ওদের প্রথমে ব্যাট করতে পাঠাচ্ছে। শুরুতেই ভারতের হাতে ম্যাচ তুলে দিচ্ছে বিপক্ষ দল। কেউ ব্যাটারদের মাথা লক্ষ্য করে বল করছে না।"

কলকাতা : বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলেও বিতর্ক যেন শেষই হচ্ছে না পাকিস্তানের। একের পর এক বিতর্কে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তপ্ত। আগেই পাকিস্তানের প্ৰাক্তন পেস বোলার মহম্মদ আমির ভারতকে নিয়ে একের পর এক মন্তব্য ও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। যদিও তার বেশিরভাগই মেলেনি। এছাড়াও শুরু থেকেই বিশ্বকাপে ঝামেলা করেছে পাকিস্তান। কখনও বয়কট, কখনও বাংলাদেশের হয়ে ব্যাটন ধরা – একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বর্ডার পারের দেশ। গতকালই নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। ভারতের উদযাপনের মাঝেই শোয়েব আখতারের মন্তব্য নতুন বিতর্ক জন্ম দিয়েছে ক্রিকেটমহলে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে বিশ্লেষকের ভূমিকায় ছিলেন শোয়েব। সেখানেই তিনি বলেছেন,”ভারতের অবস্থা অনেকটা বখাটে বড়োলোক ছেলেদের মতো। তাদের যেমন বাপের টাকায় ফুটানি মেরে দিন কাটে, একই অবস্থা ভারতের। সারাক্ষন ওরাই ম্যাচ জেতে, ওদের বিরুদ্ধে কেউই জিততে পারে না। ওরা সবাইকে ডেকে ডেকে হারাচ্ছে। আমাদের সঙ্গেও করছে, সবার সঙ্গেই করছে। আর এভাবেই ভারত ক্রিকেটটা শেষ করছে।” কিন্তু হঠাৎ এতো বড় কথা কেন বললেন শোয়েব ? ফাইনালের পরে কিসের এই কটাক্ষ ? শোয়েবের মতে, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে বিপক্ষ কোনও চেষ্টাই করেনি। তাঁর কথায়,”ভারত রান তাড়া করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছে এটা দেখেও বিপক্ষ দল ওদের প্রথমে ব্যাট করতে পাঠাচ্ছে। শুরুতেই ভারতের হাতে ম্যাচ তুলে দিচ্ছে বিপক্ষ দল। কেউ ব্যাটারদের মাথা লক্ষ্য করে বল করছে না। একদম ব্যাটের সামনে বল ফেলছে ফলে রান তোলার কাজ সহজ হচ্ছে ভারতের জন্য। ওদের সামনে থালা এগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে যা হওয়ার সেটাই হচ্ছে।”
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই একের পর এক মন্তব্য করছেন আমির। অভিষেক শর্মাকে ‘স্লগার’ বলেছিলেন তিনি। ভারত বিশ্বকাপ জিতবে না, এও মত ছিল তাঁর। কিন্তু কাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এবিষয়ে আমিরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,”কাপ জিতলেও সেটা তো আমার বাড়িতে আনবে না। আমি কী করব ?” এর থেকে স্পষ্ট, তাঁদের মনে হয়েছে আইসিসির উপর প্রভাব খাটিয়েই সব প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। পরে সুর নরম করে ভারতের প্রশংসা করলেও সেই সুরে যে আক্রোশ ছিল, তা দেখেই বোঝা যায়। সেই বিতর্ককেই নতুন করে উস্কে দিলেন শোয়েব।
